সিলেটের শাহী ঈদগাহে ১ কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এর জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৩ জন আহত হয়েছেন। ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে রবিবার বিকাল ৫টায় প্রতিপক্ষের হামলায় ৩ জন আহত হয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
আহতরা হলেন- অনামিকা আবাসিক এলাকার ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিনের ভাই মুহিব উদ্দিন, ন্যাশনাল মেগা শপের ম্যানেজার এ. এস. এম ফিরোজ ও কর্মচারী মাসুক আহমদ।
সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিবাদী ফারুক খানসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালী থানায় সাধারণ ডায়রী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, শাহী ঈদগাহ এলাকার আরিফ আহমদ, মান্না খানসহ ৮জনের নাম উল্লেখ্য করে মো. গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে গত ১৮ মার্চ ১ কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা করেছেন। মামলা নং-৫৪/২২৩।
মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেছেন, ফারুক খান দীর্ঘদিন যাবত আমার দোকানে ভাড়াটিয়া হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। গত ৩-৪ মাস থেকে তিনি মাসিক ভাড়া প্রদান করেন নি। গত ১৫ মার্চ দুপুর দেড়টায় তার দোকানে গিয়ে ভাড়ার টাকা প্রদানের জন্য বললে ফারুক খান ৫ মিনিট পরে দিচ্ছেন বলে অন্যান্য আসামী গণকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ঘটনাস্থলে একত্রিত করিয়া ফারুক খানের নিকট ১ কোটি টাকা চাঁদা দাবী করেন। তখন মামলার বাদী মো. গিয়াস উদ্দিন এর কারণ জিজ্ঞাসা করিলে আসামী ফারুক খান সহ অন্যান্য আসামীরা ক্ষিপ্ত হইয়া অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বাদীসহ স্বাক্ষীদের মারপিট করেন।
মামরার আসামীরা হলেন- শাহী ঈদগাহ এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে আরিফ আহমদ, ফিরোজ খানের ছেলে মান্না খাঁন, আব্দুল মুমিন খাঁন, ফারুক খান, শাহী ঈদগাহ এলাকার মো. কচির মিয়া, ইদ্রিছ দেওয়ানের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক, মুস্তাকিম খান মান্নার ছেলে মো. ফেরদৌস খান নাইম, ফিরোজ খানের ছেলে আরমান আহমদ সজল।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/আরএ/এসডি-৩০




