হাতছানি ছিল ইতিহাস গড়ার, কিন্তু হলো বিব্রতকর সব রেকর্ড। দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ২৭৪ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে মাত্র ৫৩ রানে। যা কি না ডারবানের কিংসমিডে সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড। পাশাপাশি নিজেদের ইতিহাসে বাংলাদেশের এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন সংগ্রহ।
অথচ প্রায় ১১০ ওভারে ২৭৪ রান করতে পারলেই প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানোর স্বাদ পেতো বাংলাদেশ দল। কিন্তু সেই পথে বড় ধাক্কা হয়ে আসে রোববার, ম্যাচের চতুর্থ দিন শেষের ৮ ওভারে ৩ উইকেটের পতন। ম্যাচ শেষে এটিকেই দুষেছেন টাইগার অধিনায়ক মুমিনুল হক।
বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল আজকের শেষ সেশন পর্যন্ত ব্যাটিং- এই কথা জানিয়ে মুমিনুল বলেছেন, ‘বলের মেধাগুণ বিচার করে খেলতে চেষ্টা করছি। আমরা শেষ সেশন পর্যন্ত ব্যাট করতে চেয়েছিলাম। দুর্ভাগ্যবশত গতকাল আমরা ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলি, যা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’
ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই স্পিনার মিলেই তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশ দশটি উইকেট। কেশভ মহারাজ মাত্র ৩২ রানে নিয়েছেন ৭ উইকেট। যা বাংলাদেশের বিপক্ষে চতুর্থ ইনিংসে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। স্পিনের বিপক্ষে ভালো খেলতে না পারায় দায় মেনে নিয়েছেন টাইগার অধিনায়ক।
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণীতে মুমিনুল বলেছেন, ‘আমরা স্পিনের বিপক্ষে খেলে অভ্যস্ত। আমরা এটিও জানতাম যে ডারবানে তৃতীয়-চতুর্থ দিনের পর স্পিন ধরে। আমরা ব্যাট হাতে নিজেদের সামর্থ্য দেখাতে পারিনি। আমরা অনেক ল্যুজ শট খেলেছি। প্রথম ইনিংসে ভালোই ছিল।’
ব্যাটারদের ব্যর্থতায় হারলেও বাংলাদেশের বোলাররা দুই ইনিংসে দিয়েছেন নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ। দারুণ বোলিং করে ২০ উইকেট তুলে নিয়েছেন এবাদত হোসেন, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, মেহেদি হাসান মিরাজরা। তাদের প্রাপ্য কৃতিত্ব দিতে ভোলেননি মুমিনুল।
তিনি বলেন, ‘দুই ইনিংসেই বোলাররা ভালো বোলিং করেছি। গত কয়েক ম্যাচ ধরেই আমাদের পেস ডিপার্টমেন্ট দারুণ করছে। নিউজিল্যান্ডেও তারা অসাধারণ ছিল, এখানেও ওয়ানডে সিরিজেও।’
মুমিনুল আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিতীয় ইনিংসে ৫০-৬০ রান বেশি দিয়ে ফেলেছি। আমাদের হাতে আরেকটি ম্যাচ আছে। আমাদের এখান থেকে শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হবে। আমাদের সামনে আসা সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে। নতুন ছেলেদের নিজেদের প্রতিভা দেখানোর ভালো একটি সুযোগ এটি।’
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/এসডি-১২
সূত্র : জাগোনিউজ




