ছবি- আহমেদ শাহীন
গত রমজানের আগের রমজানে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সিলেট নগরীর সব রেস্টুরেন্ট ও খাবার হোটেল বন্ধ ছিল। ফলে সেবার রমজান মাসে কোথাও ইফতারসামগ্রী বিক্রি হয়নি। আর গতবছর হোটেল-রেস্টরেন্ট সীমিত পরিসরে চালু হলেও ইফতারির বাজার জমেনি। এবার পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বদলে গেছে বিগত দুই বছরের দৃশ্য।
আবার ফিরে এসেছে চিরচেনা পরিবেশ। এখন পুনরায় কেনাকাটায় মুখর সিলেট নগরের ইফতারির বাজার।
রোজার প্রথম দিন (রোববার) থেকেই হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোর সামনে শামিয়ানা টানিয়ে নানা পদের ইফতারির পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। চারদিকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের হইহুল্লোড় আর হাঁকডাক। বিগত দুই বছর আগের রোজার চিরচেনা রূপ যেন ফিরে এসেছে। তবে ক্রেতাদের অনেকে ইফতারসামগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন।
যদিও এ অভিযোগের জবাবে বিক্রেতারা বলছেন, সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় ইফতারসামগ্রীতেও এর প্রভাব পড়েছে।
গতকাল ও আজ নগরীর বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার, আম্বরখানা, শাহি ঈদগাহ, চৌহাট্টা, লামাবাজার, কদমতলী, মীরাবাজার, শিবগঞ্জ, টিলাগড়, উপশহরসহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে ফুটপাতে নানা পদের ইফতারসামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। সবখানেই ক্রেতাদের ভিড় ছিল। এর বাইরে খেজুর, মুড়ি, ফল, শাকসহ ইফতারসামগ্রীর দোকানে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে।
জিন্দাবাজার এলাকার একটি রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে গেল দুই বছর ইফতারসামগ্রী বেচাকেনা করা যায়নি। এবার রোজার প্রথম দিন ক্রেতাদের উপস্থিতি আশাবাদী করেছে। প্রথম দিনের চিত্র দেখেই বোঝা যাচ্ছে, এবার বেচাকেনা ভালো হবে।’
দোকানিরা জানিয়েছেন, ইফতারসামগ্রীর মধ্যে চিকেন ও বিফ আখনি এবং পাতলা খিচুড়ি রোজদারদের চাহিদার শীর্ষ আছে। এর বাইরে অন্যান্য সামগ্রীর মধ্যে জিলাপি, বাখরখানি, পেঁয়াজি, আলুর চপ, ডিমের চপ, ছানা, বেগুনি, আলুনি, শাকের পাকুড়া, সবজির পাকুড়া, চিকেন টিক্কা, চিকেন ফ্রাই, চিকেন রোস্ট, কাবাব, রেশমি কাবাব, রোল, বিফ চাপ, বিফ বটি বারবিকিউ, ফিশ গ্রিল, হালিম, বিরিয়ানি ও তেহারির কদর বেশি।
সিলেটভিউ২৪ডিটকম/ডালিম/এসডি-১৮




