তাহিরপুর সীমান্ত নদী যাদুকাটা- ১ ও যাদুকাটা - ২ এর বালু মহালের সীমানা এক বছরের জন নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসন বিজিবির উপস্থিতিতে সাভিয়ারের মাধ্যমে বালু মহালের নির্ধারিত স্থানে সাদা পতাকা টাঙ্গিয়ে ইজারাদারদের সীমানা নির্ধারণ করে দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- তাহিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো.আলাউদ্দিন, লাউড়েরগড় বিজিবি ক্যাম কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোতালেব, বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন, ইজারাদার জিয়াউল হক, সেলিম আহমদ প্রমুখ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারী সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উন্মুক্ত দরপত্রে যাদুকাটা-১ ও যাদুকাট-২ ৩১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে তিন জন ব্যবসায়ী ইজারা পান। ব্যবসায়ীরা হলেন, হক এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী জিয়াউল হক, মেসার্স নিলয় ট্রেডিং এর স্বত্বাধিকারী মো. সেলিম আহমদ ও মেসার্স আজাদ হোসেন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আজাদ হোসেন।
তাহিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আলাউদ্দিন বলেন, যাদুকাটা বালু মহাল- ১ ও যাদুকাটা- ২ এক বছরের জন্য ইজারা দেয়া হয়েছে। আজ নববর্ষের প্রথম দিনে বালু মহালের সীমানা বিজিবির উপস্থিতিতে সাদা পতাকা টাঙ্গিয়ে ইজারাদারদের বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। নির্ধারিত সীমানার বালু মহাল থেকে ইজারাদাররা বালু উত্তোলন করতে আর কোন বাধা নেই।
মেসার্স নিলয় ট্রেডিং এর স্বত্বাধিকারী মো, সেলিম আহমদ বলেন, গত বছরও এই মহালটি আমরা ইজারা পেয়েছিলাম এবং সরকারী সকল নীতিমালা অনুসরণ করে বালু উত্তোলন করেছি। এ বছরও আমরা সকল নীতিমালা অনুসরণ করে বালু উত্তোলন করবো।
তিনি বলেন, বালু উত্তোলন কারীরা যাতে সীমানা অতিক্রম করে ভারতে অনুপ্রবেশ করতে না পারে তার জন্য যাদুকাটা ১ মহালের সীমানায় সাদা পতাকা টাঙ্গানো হয়েছে।
হক এন্টারপ্রাইজের স্বাত্বাধীকারী জিয়াউল হক বলেন, আমরা গত বছরও সরকারের নীতিমালা মেনে বালু উত্তোলন করেছি এবছরও সব নিয়মনীতি মেনেই যাদাকাটা মহাল থেকে বালু উত্তোলন করা হবে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/এমএআর/এসডি-২৫




