ছবি: ফাইল ছবি।

সিলেটে উত্তরা ব্যাংকের আম্বরখানা শাখা থেকে এক ব্যবসায়ীর টাকা গায়েব হয়ে গেছে। ব্যাংকে ধর্ণা দিয়েও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে টাকা খোঁয়া যাওয়ার ব্যাপারে কোন সদুত্তর পাচ্ছেন না তিনি। মাত্র তিনঘন্টার ব্যবধানে ১০টি লেনদেনের মাধ্যমে চারটি ব্যাংক হিসাব ও একটি বিকাশ নাম্বারে ওই ব্যবসায়ীর ৫ লাখ টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

 


ভূক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. লায়েক আহমদ সিলেট সদর উপজেলার সাদিপুর সোনাতলা গ্রামের মো. জহির আলীর ছেলে। তিনি সোনাতলা বাজার মাদ্রাসা মার্কেটের ব্যবসায়ী।

 

লায়েক আহমদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ঘেটে দেখা গেছে, গত ১০ জুন রাত ৮টা ৬ মিনিট থেকে রাত ১১টা ৬ মিনিট এর মধ্যে ১০টি লেনদেনের মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংকের দুটি, ইসলামি ব্যাংকের দুটি ও একটি বিকাশ নাম্বারে টাকাগুলো স্থানান্তর করা হয়েছে।

 

লায়েক আহমদ জানান, চলতি বছরের ৯ এপ্রিল উত্তরা ব্যাংক আম্বরখানা শাখায় তিনি তাঁর সঞ্চয়ী হিসাবে ৫ লাখ টাকা জমা রাখেন। ১ জুলাই তাঁর মোবাইলে সার্ভিস চার্জ বাবত ১০০ টাকা কেটে নেয়ার বার্তা আসে। এসময় তিনি দেখতে পান ব্যাংকে তার হিসাবে মাত্র ২ হাজার ৩৫ টাকা জমা আছে। ব্যাকের এই খুদেবার্তা পেয়ে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। ২ জুলাই তিনি ব্যাংকে গেলে তারা জানায় অ্যাপস ব্যবহার করে টাকাগুলো স্থানান্তর করা হয়েছে। 

 

এসময় লায়েক আহমদ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের জানান, তিনি ব্যাংকের কোন অ্যাপস এমনকি ডেবিট কার্ডও ব্যবহার করেন না। এরপরও তিনি বার বার ব্যাংকে গিয়ে ব্যবস্থাপকসহ অন্য কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেন। কিন্তু কোন কর্মকর্তাই তাকে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। উল্টো একেক সময় একেক কথা বলে হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ করেন লায়েক আহমদ। ব্যাংক থেকে টাকা খোয়া যাওয়ার ঘটনার সাথে ব্যাংকের কর্মকর্তা জড়িত বলেও অভিযোগ করেন লায়েক। এ ঘটনায় তিনি কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

 

এ বিষয়ে জানতে উত্তরা ব্যাংক আম্বরখানা শাখার ব্যবস্থাপক মো. আমিনুল ইসলামের ব্যক্তিগত ফোন নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 


ব্যাংকের অফিসিয়াল নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে এক নারী কর্মকর্তা ফোন রিসিভ করে জানান ব্যবস্থাপক আমিনুল ইসলাম জোনাল অফিসে গেছেন।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/ শাদিআচৌ