আগামীকাল বুধবার ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮। সাম্যের কবি, বিরহ-বেদনার কবি, বিদ্রোহের কবি, বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী। ইংরেজী বর্ষের ২৫ মে পালিত হয় নজরুলের জন্মদিন।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে বেলা ১১টায় রিকাবীবাজারস্থ নজরুল চত্বরে জমায়েত হয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হবে।
দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটি সংগঠনের সকল স্তরের সদস্যবৃন্দকে এই শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন কর্মসূচীতে অংশগ্রহন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই আয়োজনের সূচী জানানো হয়েছে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাধারে প্রেমিক ও বিদ্রোহী। উপন্যাস, নাটক, সংগীত আর দর্শনেও নজরুলের অনবদ্য উপস্থিতি বর্ণাঢ্য করেছে বাংলা সাহিত্যকে। কণ্ঠশিল্পী, অভিনেতা, সম্পাদক পরিচয়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অভিমানী এ মানুষ হৃদয় দিয়ে অনুভব করেছিলেন নিপীড়িত-অসহায়ের আর্তি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার কবিতা কোটি তরুণের রক্তে জ্বালায় স্ফুলিঙ্গ। আগামীকাল এ মহা মানবের ১২৪তম জন্মদিন।
ক্ষণজন্মা এ প্রতিভার জন্ম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (ইংরেজি সাল অনুযায়ী ২৫ মে ১৮৯৯ সাল) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম কাজী ফকির আহমেদ, মা জাহেদা খাতুন। দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করায় দুঃখ-দারিদ্র্য ছিল তার নিত্যসঙ্গী। তার ডাকনাম ছিল দুখু মিয়া।
১৯৭২ সালের ২৪ মে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে কবি সপরিবারে বাংলাদেশে আসেন। বাংলাদেশ সরকার কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয় এবং জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণা দেয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশেই ছিলেন। তার জীবনকাল ৭৭ বছর হলেও ১৯৪২ সালের জুলাই মাসে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি অসহনীয় নির্বাক জীবন কাটান।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/প্রেবি/এসডি-৪০




