(প্রতীকী ছবি)
সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় দিন-দুপুরে ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন এক নারী। তিনি সিএনজি অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন। মঙ্গলবার (৩১ মে) বেলা ২টার দিকে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার থানাধীন শ্রীরামপুর বাইপাস এলাকায় এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।
তবে ছিনতাইয়ের শিকার হওয়ার পর মোগলাবাজার থানাধীন আলমপুর পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ দিতে গিয়ে সেট বন্ধ পান ওই নারী।
ছিনতাইয়ের শিকার সমলা বেগম (৩৮) সিলেটভিউ-কে জানান, তিনি দক্ষিণ সুরমার কদমতলি এলাকার বাসিন্দা ও সৌদি প্রবাসী। কয়েক মাসের ছুটিতে দেশে এসেছেন। মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে সমলা বেগম তার ৮ বছর বয়েসি মেয়েকে নিয়ে গোলাপগঞ্জে যাওয়ার জন্য কদমতলি পয়েন্ট থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠেন তিনি। এসময় চালক ছাড়াও ওই অটোরিকশায় আরো ৩ জন যাত্রী ছিলেন। অটোরিকশাটি গোলাপগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেওয়ার পর শ্রীরামপুর বাইপাস এলাকায় যাওয়ামাত্র যাত্রীবেশি ছিনতাইকারীরা সমলার গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে তার কানে থাকা স্বর্ণের দুল ও গলার চেইন কেড়ে নেয়। পরে দুই ছিনতাইকারী গাড়ি থেকে নেমে যায় এবং অপর ছিনতাইকারী চালককে ধমক দিয়ে দ্রুতবেগে গাড়ি চালাতে বলে। চালক তখন অটোরিকশাটি নিয়ে দ্রুতবেগে গোলাপগঞ্জের দিকে রওয়ানা হয়। এসময় অটোরিকশায় থাকা ছিনতাইকারী সমলাকে বলে- চিৎকার করলে তার মেয়েকে প্রাণে মেরে ফেলবে। ফলে সমলা আর চিৎকার করেননি। পরে নির্জন দেখে একটি স্থানে অটোরিকশা থামিয়ে সমলা বেগমকে অস্ত্রের মুখে নামিয়ে দিয়ে ছিনতাইকারী ও চালক অটোরিকশা নিয়ে দ্রুতবেগে সেখান থেকে চলে যায়।
সমলা বেগম জানান, ছিনতাই হওয়া স্বর্ণালংকারের মূল্য আনুমানিক ৬০ হাজার টাকা।
এদিকে, ছিনতাইয়ের শিকার হওয়ার পর ওই নারী অভিযোগ দিতে মোগলাবাজার থানার আলমপুর পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে ফাঁড়ির দরজা তালাবদ্ধ দেখতে পান। তিনি অনেক্ষণ অপেক্ষা করলেও সেখানে কোনো পুলিশ সদস্য উপস্থিত হননি।
মামলা করবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সিলেটভিউ-কে বলেন, আর মামলা করে কী হবে। যেখানে অভিযোগ দিতে গিয়ে পুলিশ ফাঁড়ির দরজা বন্ধ পেলাম সেখানে মামলা করে আর কোনো লাভ হবে বলে মনে করি না।
তবে ঘটনার খবর পেয়ে মোগলাবাজার থানার এ.এস.আই অতিব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
দরজা ব্ন্ধ থাকার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে আলমপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস.আই সাখাওয়াত হোসেন সিলেটভিউ-কে বলেন, ‘আমি একটু অসুস্থ, তাই বাসায় আছি।’
সিলেটভিউ২৪ডটকম / সোয়েব / ডালিম




