সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের যে কোনো দুর্যোগের সময় সকল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে থাকেন।

 


দেশের মানুষ যাতে দুর্যোগের সময় অভুক্ত না থাকেন সেই বিষয়ে তিনি লক্ষ্য রাখেন। তিনি প্রায় সময়ই বলেন, আমি যতক্ষণ বেঁচে আছি ততক্ষণ পর্যন্ত দেশের একজন মানুষও না খেয়ে মারা যাবে না। তিনি আর্ত-মানবতার সেবায় এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। সেজন্যই তিনি 'মানবতার মা ' হিসেবে অাখ্যায়িত হয়েছেন।

 

বৃহস্পতিবার (২রা জুন) ১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে সকাল সাড়ে ১১ টায়  প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা'র ত্রাণ উপহার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ.কে.আব্দুল মোমেন এমপি'র পক্ষ থেকে ১১ নং ওয়ার্ডের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি আরও বলেন, আকস্মিক বন্যায় সিলেট নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ও আশপাশের এলাকা প্লাবিত হলে প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী সিলেট এসে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করে গেছেন। অন্যদিকে বন্যাকালীন সময় থেকে বন্যাপরবর্তী সময়েও অসহায় মানুষদের মাঝে মহানগর আওয়ামী লীগ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন ত্রাণ বিতরণ করেছেন। নেতৃবৃন্দ বন্যাকবলিত ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গিয়ে চাল, ডাল, শুকনো খাবার সহ ত্রাণ সামগ্রী অসহায় মানুষদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা, আন্তরিকতা, মানবিকতায় বন্যাকালীন সময় থেকে বন্যাপরবর্তী সময়েও অসহায় মানুষদের খুব বেশি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় নি। যেখানেই সমস্যা দেখেছেন সেখানেই মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ কাজ করে গেছেন। সব দুর্যোগেই আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে থাকে আগামীতেও থাকবে।

 

১১ নং ওয়ার্ডের জননন্দিত কাউন্সিলর রকিবুল ইসলাম ঝলকের সভাপতিত্বে ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের লীগের অর্থ সম্পাদক ইফতেখার হোসেন মনির পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফছর আজিজ।

 

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন- মহানগর আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ জুবের খান, ১১ নং ওয়ার্ডের সভাপতি সালউদ্দিন বক্স সালাই, সাধারণ সম্পাদক মোঃ বদরুল ইসলাম বদরু সহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/প্রেবি/এসডি-১৬