জৈন্তাাপুর উপজেলার লালাখাল-চতুল রাস্তা পাকাঁকরণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, কাজে ব্যবহার হচ্ছে নিম্নমানের সামগ্রী, সংশ্লিষ্ট প্রসাশনে নিরব ভুসাকালি জনমনে প্রশ্ন।

 


স্থানীয়রা জৈন্তাপুর উপজেলা এলজিইডিকে জানালেও কোন কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় কিছু দিনের মধ্যে রাস্তাটি পূর্বাবস্থায় ফিরে যাবে এবং সরকারের সব টাকা গচ্ছা যাবে।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত শিডিউল না মেনে নিম্নমানের পরিত্যাক্ত মানহীন ইটের খোয়া নম্বর বিহীন ইট দ্বারা হেজাং, কাঁদা মাঠি মিশ্রিত বালু এবং পুরাতন মেয়াদ বিহীন পরিত্যাক্ত পিচ পুনরায় ব্যবহার করে রাস্তার কাজ দেদারছে করে যাচ্ছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাস্তার কাজ করার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা এলজিইডির কর্মকর্তা উপস্থিতি থাকার কথা। কিন্তু কাজের সময় সেখানে কোন কর্মকর্তা উপস্থিত থাকে না।

কাজের মান নিয়ে এলাকাবাসীর নরুল ইসলাম, কবির উদ্দিন, বিলাল আহমদ জানান রাস্তার পূর্বের মাল দিয়ে তড়িঘড়ি করে জুড়াতালি দিয়ে অতিরিক্ত শ্রমিক দিয়ে তড়িগড়ি করে কাজ করেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

 

এলাকাবাসীর দাবী এভাবে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ হলে আমরা দূর্ভোগেই রয়ে যাবো বরং রাস্তা নির্মানে সরকারের মোটা অংকের টাকা গচ্ছা যাবে। এলাকাবাসীর কাছে স্থানীয় মন্ত্রীর দূর্নাম ছড়াবে।

 

এলাকাবাসী আরোও বলেন, বিষয়টি সংসদ সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদোশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি, সিলেটের জেলা প্রসাশক, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা এলজিইডি বাস্তবায়ন কর্মকর্তাসহ জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করি।

 

জৈন্তাপুর উপজেলা প্রকৌশলী এ.কে.এম রিয়াজ মাহমুদ জানান, এলাকাবাসীর অভিযোগ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে পরিদর্শন গিয়ে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার না করার জন্য বলে এসেছি।

 

ব্যবহৃত সামগ্রী সরিয়ে নিতে বলে দিয়েছি, দুই-এক দিনের মধ্যে মিন্মমানের সামগ্রী সরিয়ে নিয়েছেন কি না পুনরায় তদন্ত করে দেখবেন।

 

চারিকাটা ইউপির চেয়ারম্যান মো. সুলতান করিম জানান, আমি সড়কটির কাজের অনিয়ম নিয়ে সংশ্লিষ্ট এলজিইডিসহ উপজেলা চেয়ারম্যান সহ সংশ্লিষ্টদেরকে জানাই। কিন্তুু কাজের কোন পরিবর্তন হচ্ছে না, বরং অদৃশ্য কারনে দায়সারা ভাবে তড়িঘড়ি করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ করে যাচ্ছে।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-বশিরুল ইসলাম জানান, আমি অভিযোগ পাওযার পর গত সপ্তাহে রাস্তাটি ভিজিট করি, কাজে নিম্নমানের সামগ্রী দেখায় সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি অবহিত করেছি।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/এমএইচ/এসডি-১১