ভারতে কুখ্যাত মোদী সরকারের ছত্রছায়ায় মহানবী (সা.) এর অবমাননার প্রতিবাদে এবং ভারতীয় পণ্য বর্জন করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা করা হয়েছে।

 


রোববার (১২ জুন) বাদ যোহর সিলেট নগরীতে 'মুসলিম যুব সমাজ সিলেট'র উদ্যোগে এ কর্মসূচী পালিত হয়।

নগরীর বন্দর বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে 'মুসলিম যুব সমাজ সিলেট' মিছিল বের করে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোর্ট পয়েন্টে এসে এক পথসভায় মিলিত হয়।

শায়খুল হাদীস হযরত মাওলানা আব্দুল বাসিত শাহগলী হুজুরের সভাপতিত্বে এবং মাওলানা হাসান পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন মুফতী মুতীউর রহমান খান, মুফতী শাব্বির আহমদ ও মুফতী সাইফুর রহমান প্রমুখ।

 

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন- শায়খ আব্দুশ শহীদ, মুফতী হুসাইন আহমদ, মুফতী রশীদ আহমদ, মাওলানা হাফিজ নাজমুল হাসান, মাওলানা জহুরুল হক, মাওলানা তায়্যিব, মাওলানা হাসান, মাওলানা মখলিস, মাওলানা মুশতাক, মাওলানা শাহ আলম, সাবেল আহমদ, শাকিরুল ইসলাম গৌস, মেরাজুল হক চৌধুরী, আবদুল আযীয, সুমন আহমদ, সাইদুর রহমান, হুসাইন আহমদ শাহীন, প্রফেসর ওয়াজির, জাহাঙ্গীর আলম, ইমরান আহমদ, আব্দুল্লাহ, জাওয়াদ মাহি, ইহসানুল হক, বেলাল, রফিক, ফয়সল, আব্দুল মুবিন, সাদিক রুবেল, ইউসুফ, শহীদ, আতিক, ডিজু, আরিফ, মাহির, এহসান, নুমান প্রমুখ।

 

সভায় বক্তারা বলেন, নবী হলেন মুসলমানের ঈমান। এ জায়গায় আঘাত করলে মুসলমান চুপ থাকতে পারে না। ভারতে মুসলমানদের বিশ্বনবী মুহাম্মাদ (সা.) ও আম্মাজান আয়েশা (রা.)কে জঘন্যতম ভাষায় কটাক্ষ করা হয়েছে। তাই লোক দেখানো শাস্তি 'দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে' নূপুর শর্মাকে বাঁচিয়ে রেখে মুসলমানদের সেন্টিমেন্ট, আবেগ, ঈমানকে নিয়ে খেলা করা থেকে বিরত থাকার জন্য মোদী সরকারের কাছে আহবান জানানো হয়। পাশাপাশি এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দোষীদেরকে কঠোর শাস্তির আওতায় না এনে উল্টো আন্দোলনরত ভারতের মুসলমানদের মোদী প্রশাসন কর্তৃক যে নির্যাতন করা হচ্ছে তা মুসলমানদের অন্তরের আগুনে ঘি দেওয়ার নামান্তর। তাই আগুন নিয়ে খেলা না করে অতিসত্ত্বর দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি বিধান করে বিশ্ব মুসলমানের অন্তরকে প্রশান্ত করুন।


সভায় বক্তারা, মুসলমানদের সমস্ত ভারতীয় পণ্য বর্জন করার আহবান জানান। পাশাপাশি সরকারের কাছে সংসদে এ ব্যাপারে নিন্দা প্রস্তাব আনতে আহবান করা হয়।

বক্তারা বলেন, দীন ধর্ম ও নবীর দুশমন চায় হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান বা নাস্তিক ব্লগার হোক কিংবা মুসলমান নামধারী মওদূদী জামাত, কাদিয়ানী জামাত বা শীআ হোক- সবার ব্যাপারে সংসদে আইন করা হোক, যাতে এরকম জঘন্য কাজ করতে না পারে।

 

বক্তারা মুসলিম যুব সমাজ সিলেটের পক্ষ থেকে জানান, তারা দীনী আন্দোলনে কোন আকায়ীদী বাতিল ফিরকা যেমন মওদূদী, কাদিয়ানী বা শীআর সাথে জোট করার পক্ষে নয়। কারণ নূপুর শর্মারা যেমন নবীর দুশমন; মওদূদী, কাদিয়ানীরাও নবীর দুশমন। কারণ মওদূদীরা নবীদের নিষ্পাপ মানে না এবং কাদিয়ানীরা নবী সর্বশেষ নবী মানে না।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/প্রেবি/এসডি-০২