টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে আবারও ডুবছে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চল। মাত্র সপ্তাহ দু-এক আগে ভয়াবহ বন্যায় প্লাবিত হয়েছিল পুরো কোম্পানীগঞ্জ। এই বন্যার রেশ কাটতে না কাটতে আবারও বাড়তে শুরু করেছে নদনদী ও হাওরের পানি। এতে করে আতঙ্ক তৈরী হচ্ছে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মাঝে।
এদিকে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে বন্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্ততি রয়েছে। জেলা প্রশাসক বরাবর ৩০ মেট্রিকটন চাল ও ১ হাজার পেকেট শুকনো খাবারের চাহিদা পাঠানো হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর পশ্চিম, ইসলামপুর পূর্ব, তেলিখাল, ইছাকলস, দক্ষিণ রণিখাই ও উত্তর রণিখাইয়ের অর্ধেক ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বন্যায় ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে। উপজেলার ৬ ইউনিয়নে মধ্যে ইছাকলস, তেলিখাল ও উত্তর রণিখাই ইউনিয়ন বেশ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এরি মধ্যে এসব এলাকার বেশিরভাগ ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। আগের বন্যায় ঘরবাড়ির যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে ওটার আগেই আবার বন্যা দেখা দেওয়ায় ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।
উত্তর রণিখাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়জুর রহমান জানান, কয়দিনের ব্যবধানে আবারও বন্যা দেখা দিয়েছে। ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। রাস্তাঘাট ও বাড়িঘরে পানি উঠতেছে। বন্যার্তদের সহযোগিতার জন্য চাহিদা পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বিদ্যুৎ কান্তি জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে জেলা প্রশাসক বরাবর চাল ও শুকনো খাবারের চাহিদা পাঠানো হয়েছে। আশাকরি ২-১ দিনের মধ্যে আমরা পেয়ে যাব। এছাড়াও সকল আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/এজে/এসডি-৩৩




