রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হবে সিলেটের বিয়ানীবাজার পৌরসভার নির্বাচন । বুধবার (১৫ জুন) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ইভিএমে একটানা ভোটগ্রহণ চলবে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে স্থানীয় নির্বাচন অফিস। নির্বাচনকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিয়ানীবাজার পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ১০ কেন্দ্রে নিয়োজিত থাকবেন ৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
বিয়ানীবাজার পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা ২৭ হাজার ৭৯৩ জন ভোটার। তাদের সামনে দাঁড়িয়েছেন ১০ জন প্রার্থী। চারজন বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে জয় পেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে। অন্যদিকে মোট প্রার্থী ১০ জন হওয়ায় ভোটাররাও পড়েছেন নানা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে।
শেষ সময়ে এসে পৌরবাসীর দৃষ্টি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও সদ্যসাবেক মেয়র আব্দুস শুকুরসহ চার স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীর দিকে। তার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ভোটারদের আলোচনায় রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিদ্রোহী) জিএস ফারুকুল হক (চামচ), আব্দুস সবুর (মোবাইল ফোন), তফজ্জুল হোসেন (জগ), আব্দুল কুদ্দুস টিটু (হেলমেট)। স্বতন্ত্র আরও দুই প্রার্থী প্রভাষক আব্দুস সামাদ আজাদ (হেঙ্গার) এবং আহবাব হোসেন সাজু ( কম্পিউটার) ভোটারদের আলোচনায় রয়েছেন।
স্থানীয় নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ভোটকেন্দ্রে হামলাসহ যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি নিয়োজিত থাকবে সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে থাকবে স্ট্রাইকিং ফোর্সও। বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ ও বিয়ানীবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়- এই দুটি ভোটকেন্দ্রে একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। অন্য ৮টি কেন্দ্রের প্রতিটিতে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া যেকোন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে পৌরসভার সকল প্রবেশপথে থাকবে পুলিশি চেকপোস্ট।
বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিল্লোল রায় জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে নিরাপত্তার জন্য বিপুল পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। একইসাথে পৌরসভার সকল প্রবেশপথে তল্লাসি চৌকি বসানো হবে।
বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আশিক নূর জানান, ভোটগ্রহণের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে বিপুলসংখ্যক আনসার, পুলিশ ও আমর্ড পুলিশ মোতায়েন থাকবে। হামলাসহ যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্ট্রাইকিং ফোর্স দায়িত্ব পালন করবে। এ লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/পিডি




