পাহাড়ি ঢল আর টানা বৃষ্টির কারণে গোটা সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বেশিরভাগ এলাকা বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় দূর্বিসহ জীবন অতিবাহিত করছেন মানুষজন। সপ্তাহ ধরে এখনও বাড়ীঘড় থেকে বন্যার পানি না নামায় বিপাকে পড়ছেন গোটা এলাকার মানুষ।

 


বন্যার পানি ধীরগতিতে কমায় মানুষের ঘরবাড়ী পানিতে নিমজ্জিত। দিশেহারা জনগণ জানমাল নিয়ে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্হান নিয়ে দিনযাপন করছেন। এমতাবস্থায় রুটি রুজির ব্যবস্হা না থাকায় খাদ্যের অভাব প্রকঠ আকার ধারণ করেছে। অসহায় বন্যার্থদের মাঝে অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জিত কুমার রায়ের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার দিরাই পৌরসভার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যার্থদের মাঝে একহাজার প্যাকেট শুকনো খাবার সামগ্রী পৌছে দেওয়া হয়।

খাদ্যসামগ্রী মধ্যে ছিল ২ কেজি চিরা, ১ কেজি মুরি, ৫০০গ্রাম গুর,২ টা মোমবাতি, ১টা দিয়াশলাই, ২টা ওরস্যালাইন, ১০টা পানি বিশুদ্ধ করন টেবলেট, এবং পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের পানিবন্দী পরিবারে খোঁজ খবর নেন অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জিত কুমার রায়।

 

অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জিত কুমার রায়ের পক্ষে এসব শুকনো খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন পৌর মেয়র বিশ্বজিৎ রায়, সঞ্জিত কুমার রায়ের ভাই প্যানেল মেয়র লিটন রায়, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর মিনতি রানী দাস, বিশ্বজিৎ মোদক, ফিরোজ খান, আব্দুর রশিদ চৌধুরী, রিংকু রায়, মাহাবুল ইসলাম বিপ্লব, রশিদ মিয়া, রিংকু বিশ্বাস প্রমুখ।

 

অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জিত কুমার রায় মুঠোফোনে বলেন, বন্যার পানি চিরদিন থাকবে না। মানুষের মনুষ্যত্ব থাকবে, যাঁরা নিত্যপ্রয়োজনী জিনিসপত্র মজুদ করে পরে তা চরা দামে বিক্রি করেছে তারা মনুষ্যত্বহীন অমানুষ।

 

প্যানেল মেয়র লিটন রায় জানান, অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জিত কুমার রায়ের নির্দেশনায় বন্যা কবলিক দূর্গত মানুষের পাশে যাচ্ছেন তারা এবং উনার সাধ্য অনুযায়ী বানভাসী মানুষের পাশে দারানোর চেষ্টা করছেন তারা।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/এইচপি/এসডি-৩০