সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বন্যার পানি নামছে ধীর গতিতে। জেগে উঠছে চলাচলের রাস্তা। দূর্ভোগের শেষ নেই।
সরজমিনে উপজেলা বন্যার পানিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ দরবস্ত ইউপি ঘুরে দেখা য়ায়, বন্যার পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করেছে। জেগে উঠছে ক্ষত বিক্ষত কাদাযুক্ত চলাচলের রাস্তা। এসব রাস্তা ব্যবহার করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এর পরও গ্রামের বাসিন্ধারা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
এলাকাবাসী মোদছির আহমদ, জলাল উদ্দিন, শাকিল আহমদ, আমিন আহমদ, কুতুব উদ্দিন, রহিম উদ্দিন, হোসেন আহমদ, জুবায়ের আহমদ সহ অনেকের সাথে কথা বলে তারা জানান, বর্তমান মৌসুম সাধারণত বৃষ্টিপাত ও বন্যার মৌসুম। প্রতি বৎসরের ন্যায় এই সময়ে বন্যা হয়। তবে অতিথের সকল রেকর্ড অতিক্রম করে এবারের বন্যা দীর্ঘ স্থায়ী রুপ ধারণ করে। যার কারনে বিশেষ করে বন্যার পানির ঢেউ (স্থানীয় ভাষায় আফালে) নিম্নাঞ্চলের বেশির ভাগ নিম্ন আয়ের মানুষের বাড়ী ঘর, গোয়াল ঘর, গো-খাদ্রের ঘর ধ্বংস হয়েছে।
.jpg)
এছাড়া মানুষ চলচলের রাস্তা ঘাট ব্যাপক হারে ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এসব রাস্তাঘাট চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এছাড়া বর্ষা মৌসুম শুরুতেই বড় ধরনের দুটি দীর্ঘ স্থায়ী বন্যায় যে ক্ষতি সাধিত হয়েছে তা অপুরনীয়। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে না বলো জানান।
বর্তমানে বন্যার পানি নামার সাথে সাথে মানুষজন নিজ নিজ বসত বাড়ীতে ফিরতে শুরু করলেও অনেকেই বাড়ীতে থাকার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কেউ কেউ বসবাস করছে নিকট আত্মীয় বাড়ীতে। এসব ঘরবাড়ী মেরামত করতে সময় লাগবে প্রচুর। সেক্ষেত্রে মালামাল পরিবহনে সৃষ্টি হয়েছে প্রতিবন্ধকতা। বন্যা তাদেরকে সর্বশান্ত করে ফেলেছে। এর উপর প্রতিদিন হচ্ছে ভারী বৃষ্টি নদ নদীর পানিও উঠানামা করছে বলে জানান।
এ বিষেয় জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, আমি যোগদানের চার মাসের মধ্যে বন্যা হয়েছে ৪ বার। বিশেষ করে জৈন্তাপুর উপজেলা সাধারণত বন্যায় আক্রান্ত হয় বেশি খোঁজ নিয়ে জনলাম। তবে এবার ভিন্ন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে উপজেলার ৬টি ইউপি। সরকারের তরফ থেকে বন্যার্তদের সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছি। সরকার আমাদের পাশে রয়েছে। বন্যা পরবর্তি পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য আমরা কাজ শুরু করে দিয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন মেরামতসহ ক্ষতিগ্রস্থদের সার্বিক উন্নয়ন করা হবে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/আরকেএস/এসডি-১১




