আগামী ১০ জুলাই পবিত্র ঈদুল আযহা। ঈদকে সামনে রেখে মসলার বাজার জমজমাট হয়ে উঠেছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা মসলায় ভেজাল মিশিয়ে বিক্রি করে যাচ্ছে। এমন সংবাদ পেয়ে রবিবার (৩ জুলাই) দুপুরে সিলেটের পাইকারী বাজার কালীঘাট এলাকায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান চালায়। অভিযানে মসলায় ভেজাল মেশানোর অভিযোগে ৬ প্রতিষ্ঠানকে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করে। 

 


অভিযানে নেতৃত্ব দেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম মাসুদ। তাকে সার্বিক সহায়তা করেন র‌্যাব-৯ এর একটি টিম ও সিলেট চেম্বার অব কমার্স।

 

অভিযানে ভোক্তাদের প্রতারিত করা, মূল্য তালিকা না রাখা এবং অতিরিক্ত দামে মসলা বিক্রির অপরাধে ইনসাফ স্টোরকে ২ হাজার টাকা, রানা স্টোরকে ২ হাজার টাকা, আর এন ট্রেডার্সকে ২ হাজার টাকা এবং সুমন ব্রাদার্সকে আরও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

 

একই দিন সিলেটের আলমপুর এলাকায় পাসপোর্ট অফিসের সামনে এক পৃষ্টা কাগজ প্রিন্ট প্রদানে ১০০ টাকা দাবি করায় আমির এন্টারপ্রাইজকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাসপোর্ট অফিসে সাধারণ মানুষের জরুরি প্রয়োজনের সুযোগ নিয়ে অনেক দিন ধরেই এ প্রতিষ্ঠানটি অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। এসময় পাশ্ববর্তী জিসান হোটেলকে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের জন্য আরও ১ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

 


এ সময় পশুর চামড়ার ব্যবহ্রত শিল্প লবনের বাজারও তদারকি করা হয়। ৫৮ কেজি শিল্প লবনের বস্তা ৮৬০ টাকা ধরে বিক্রি করা এবং শিল্প লবনের মূল্য তালিকা বাধ্যতামূলকভাবে প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করা হয়। এছাড়া সরকার নির্ধারিত সয়াবিন তেলের নতুন মূল্য বাস্তবায়নের জন্যও ব্যবসায়ীদের প্রতি নির্দেশ প্রদান করা হয়।

 

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম মাসুদ। তিনি বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/আরকে/জেপি-০৮