সিলেট নগরের আম্বরখানা-এয়ারপোর্ট সড়ক ভিআইপি সড়ক হিসেবে পরিচিত। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কয়েক শতাধিক বিদেশযাত্রী ও ভিআইপিরাসহ কয়েক লক্ষাধিক মানুষ যাতায়াত করেন। এ সড়কের চৌকিদেখি নামক স্থানে বসেছে কোরবানির পশুর হাট। তবে ভিআইপি এ সড়কে কে বসালো পশুর হাট সেটা জানেন না সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও স্থানীয় কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীম। 

 


জেলা প্রশাসন ওই এলাকায় একটি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর অনুমতি দিয়েছে। সেটি হলো- চৌকিদেখি পয়েন্ট সংলগ্ন খালি জায়গা। তবে ওই এলাকায় চৌকিদেখি নামক পয়েন্ট বা খালি জায়গা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীম। তিনি জানান, আমার নির্বাচনী এলাকার চৌকিদেখিতে কোনো পয়েন্ট নাই। পশুর হাট দেয়ার মতো খালি জায়গাও নাই। তবুও সংশ্লিষ্টরা এখানে হাট বসানোর অনুমিত দিয়েছেন। তবে স্থানীয় ব্যক্তি মালিকাধীন একটি ছোট জায়গা লিজ এনে ইজারাদাররা মূলত আম্বরখানা-এয়ারপোর্ট রোডের চৌকিদেখির মূল সড়ক ও বিভিন্ন আবাসিক এলাকার গলিতে পশুর হাট বসিয়েছেন। এতে করে ওইসব সড়ক ও গলি দিয়ে যাতায়াতকারীদের মধ্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।

 

সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমরা তো রাস্তায় পশুর হাট বসানোর অনুমতি দেই নি। স্থানীয় একটি খালি জায়গা ইজারাদাররা লিজ এনে অনুমতি নিয়েছেন। আমাদের লিজের কাগজ দিয়েছেন।

 

এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র আরিফ বলেন, রাস্তায় পশুর হাট বসেছে ঠিক। কিন্তু আমাদের ইখতিয়ার নেই সেখানে অভিযান চালানোর। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিষয়টি দেখবে। তাদের সহায়তা পাচ্ছি না। জেলা প্রশাসন ম্যাজিস্ট্রেট দিলে আমাদের সিটির লোকজন তাদের সহযোগিতা করবে। 

 

ভিআইপি এ সড়কে অস্থায়ী পশুর হাট উচ্ছেদ ও বাতিল করার দাবিতে সিসিক মেয়র, পুলিশ কমিশনার ও সিলেটের জেলা প্রশাসক বরাবর একাধিক অভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয় চা-বাগানের বাসিন্দারা সহ সচেতন নাগরিকেরা।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/জেপি-০৭