স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ভাসছে পুরো সিলেট অঞ্চল। বন্যার এমন ভয়াবহ রূপ এর আগে আর কখনো দেখা যায়নি। পুরো সিলেট অঞ্চলে বন্যার কারণে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ বিপর্যয়। সাধারণ মানুষের এখন আশ্রয় প্রয়োজন। প্রয়োজন খাদ্য এবং চিকিৎসা। এমন পরিস্থিতিতে বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়ান কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। মানুষের কষ্ট লাঘবে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি।
বন্যা আসার পর থেকে সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলার প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রত্যন্ত গ্রামে বানভাসি মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী নিদের্শনায় সরকারি ত্রাণসামগ্রীও বন্যার্ত মানুষের হাতে পৌঁছে দিচ্ছেন। শুধু তাই নয়, মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকে যারা কোথাও মুখ ফুটে বলতে পারছে না, ক্যামেরার ক্লিকের সামনে যেতে পারছে না, খুঁজে খুঁজে সেইসব পরিবারের মধ্যে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন নাদেল।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি অবিচল এক কর্মী শফিউল আলম নাদেল। যিনি মানব কল্যাণের ব্রত নিয়ে সাংগঠনিক কর্মদক্ষতা, আন্তরিকতা ও নিঃস্বার্থ সেবা প্রদানের মাধ্যমে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য দিনরাত নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ।
মাত্র এক মাসের ব্যবধানে সিলেটে দুইবার আঘাত হানে ভয়াবহ বন্যা। বন্যার কারণে অসংখ্য মানুষের জীবন হয়ে পড়ে বিপর্যস্ত । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে সেসব মানুষের ঘরে ঘরে ব্যক্তি উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছানোর কাজ শুরু করেন নাদেল। সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলার দূর্গম এলাকাতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ত্রাণসহায়তা পৌঁছানো হয়। তার এই মানবিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হন আরও মহতী ব্যক্তি ও সংগঠন। সেই ধারাবাহিকতা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বলেন, ‘মানুষের বিপদে তাদের পাশে দাঁড়ানো, মানুষের কল্যাণে এবং উন্নয়নে কাজ করাই আওয়ামী লীগের নীতি। সবসময় যেকোন দুর্যোগ সংকটে দুর্গত মানুষের পাশে আওয়ামী লীগ থাকে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগের প্রত্যেক নেতাকর্মী সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত।’
সিলেটের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিতেসবসময় যেকোন দুর্যোগ সংকটে দুর্গত মানুষের পাশে আওয়ামী লীগ আছে। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাই সকলের আগে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা হয়েছে। কোন মানুষ না খেয়ে থাকেননি।
.jpg)
তিনি বলেন, বন্যা পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতদিন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকবেন, ততদিন এদেশের মানুষ না খেয়ে থাকবেন না। সুখে-দুঃখে আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ছুটে চলা আওয়ামী লীগের একজন কর্মী আমি। আমাদের দল গণমানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করে। অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেয়ে বড় কোনো আত্মতৃপ্তি নেই। দেশ এবং দলের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি।’ যেকোন সময় অসহায় মানুষের সহায়তার তার প্রচেষ্টা থাকবে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, সকল ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোন সংকটই দীর্ঘস্থায়ী হবে না। তাই এই সংকটময় মুহূর্তে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রেখে দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।’
এছাড়াও বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে সক্রিয় হন নাদেল। দেশে করোনা মহামারী ছড়িয়ে পড়ার শুরুর দিকে আক্রান্ত হন তিনি। এরপর নিজের জীবন বাঁজি রেখে করোনাক্রান্ত মানুষের সেবায় সম্পৃক্ত হন তিনি। চালু করেন ফ্রি অক্সিজেন সেবা । অসুস্থদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেন অক্সিজেন সিলিন্ডার ও চিকিৎসা সহায়তা। করোনাকালীন সময়ে মানবিক সহায়তা হিসেবে কর্মহীন-শ্রমজীবী মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও অনুদান নিয়েও পাশে দাঁড়ান তিনি। বিতরণ করেন করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সামগ্রী।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/পিডি




