ছবি: আহমেদ শাহীন
বছর ঘুরে আনন্দের বারতা নিয়ে এলো ঈদ। যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যে উদযাপন হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা । পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে সিলেট নগরী ছেড়েছেন অসংখ্য মানুষ। তাই মহল্লা, মার্কেট, সড়ক সবখানেই কমেছে কোলাহল। এ যেন এক অন্য রকম সিলেট নগরী। ব্যস্ত নগরী এখন ফাঁকা । সড়কে নেই যানবাহনের চাপ। কমেছে কোলাহল, নাগরিক ব্যস্ততা। মাঝে মধ্যে দু-একটা গাড়ির দেখা মিলছে। তবে ভয়াবহ বন্যার শিকার সিলেটের অসংখ্য পরিবারে নেই ঈদের আনন্দ।
রবিবার (১০ জুলাই) সিলেট নগরীর বিভিন্ন সড়কে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, নগরী এখন অনেকটাই ফাঁকা হয়ে আছে। রাস্তায় মানুষের আনাগোনা যেমন কম, তেমনই গাড়ির চাপও কম। যানজট না থাকায় মানুষ সহজেই দ্রুত যাতায়াত করতে পারছেন।
সিলেট নগরীর প্রধান কয়েকটি সড়ক সংলগ্ন বিপনি বিতান, অফিস আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মুদি দোকান, খাদ্যসামগ্রী এমনকি জরুরি ওষুধের দোকানসহ বেশিরভাগই বন্ধ।
সিলেট নগরীর স্থায়ী বাসিন্দা আলী হোসেন সুমন জানান, সিলেট নগরী এখন প্রায়ই যানজটে ভরা থাকে। ঈদের ছুটিতে মানুষজন গ্রামের বাড়ি চলে যাওয়ায় নগরী ফাঁকা হয়ে যায়।
সিলেট নগরীর বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার, আম্বরখানা, চৌহাট্টা এসব পয়েন্টে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অনেকটাই কোলাহলমুক্ত ছিল। তবে বেলা গড়ানোর সাথে সাথে মানুষের আনাগোনা বেড়েছে। কুরবানির মাংস নিয়ে অনেকে যাচ্ছিলেন আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে। কেউ কেউ পরিবার নিয়ে ছুটেছেন বেড়াতে।
সিলেট নগরীর শাহী ঈদগাহ এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেন চৌধুরী শাওন জানান, রাস্তা ফাঁকা ও যানবাহন কম থাকার পাশাপাশি যানজট না থাকায় রিকশা ও সিএনজিচালকদের আয় ভালো হচ্ছে। তবে রিকশা ও সিএনজিচালকরা বাড়তি ভাড়া দাবি করছেন বলে জানান তিনি।
তবে সিলেট নগরীতে ঈদের আমেজ থাকলেও, বানভাসী অনেক পরিবারেই আনন্দের দেখা নেই। বন্যার পানি না নামায় এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন অনেক মানুষ। ফলে এবারের ঈদ কাটছে আশ্রয়কেন্দ্রে বা অন্যদের ঘরে আশ্রিত হয়ে। অনেকের আবার ভাঙা ঘরে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/পিডি




