সিলেট মহানগরীতে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার কোরবানির পশুর বর্জ্য মাত্র ১২ ঘণ্টায় অপসারণের দাবি করলেও সিটির বর্ধিত একটি এলাকায় রাস্তার পাশে পড়েছিলো পশুর হাটের বর্জ্য। এতে ভোগান্তি পোহাচ্ছিলেন স্থানীয়রা। তবে এ বিষয়ে সিলেটভিউয়ে সংবাদ প্রকাশের পর তড়িৎ গতিতে সেই বর্জ্য অপসারণ করেছে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, ঈদের তৃতীয় দিন (মঙ্গলবার) পর্যন্ত সিলেট সিটি করপোরেশনের বর্ধিত এলাকা (৩৮ নং ওয়ার্ড) তেমুখি-বাদাঘাট সড়কে সফাত উল্লাহ ফিলিং স্টেশনের পাশে কোরবানির পশুর হাটের বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা যায়। ওখানে ‘অবৈধ’ পশুর হাট বসানো হয়েছিলো। এসব বর্জ্য সিসিক কর্তৃপক্ষ কিংবা বাজার ইজাদাররা সরানোর ব্যবস্থা করেনি। ফলে পঁচা দুর্গন্ধে স্থানীয় বাসিন্দা ও এ পথে চলাচলকারীরা চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছিলেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ- মূল পশুর হাট ছিলো সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের খালিগাঁও নামক স্থানে। সফাত উল্লাহ ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী মো. হেলাল আহমদ ঈদ উপলক্ষে এই অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু পশুর হাটটি ওই জায়গা ছাড়িয়ে প্রায় দুই কিলোমিটারজুড়ে বসানো হয় এবং প্রত্যেক পশুর মালিকের কাছ থেকে টাকা নেন ইজাদাররা। কিন্তু হাট বসানোর ফলে স্তুপ হওয়া বর্জ্য অপসারণের উদ্যোগ নেননি সিসিক কর্তৃপক্ষ কিংবা ইজাদাররা।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার বিকেলে সিলেটভিউয়ে ‘সিলেট নগরীর বর্ধিত এলাকায় এখনও পড়ে রয়েছে পশুর বর্জ্য!’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের আগে সিলেটভিউ’র পক্ষ থেকে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুর আজিজুর রহমানের সঙ্গে কথা বললে তিনি বর্জ্যগুলো দ্রুত অপসারণের কথা বলেন এবং কথা অনুযায়ী সন্ধ্যার পরপরই সেই বর্জ্য কর্মী দিয়ে অপসারাণ করিয়ে নেন।
এদিকে, বর্জ্য অপসারাণ করায় সিসিক কর্তৃপক্ষের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সিলেটভিউ২৪ডটকম / ডালিম




