পাথর কোয়ারি বন্ধ থাকার ফলে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা দুর্বিসহ জীবন পার করছে। ব্যবসায়ীরা দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে আর শ্রমিকরা অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছে। লাখ মানুষের জীবিকার তাগিদে পাথর কোয়ারিগুলো খুলে দেওয়া প্রয়োজন। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সভায় এ কথাগুলো বলেন বক্তারা।

সিলেটের ভোলাগঞ্জসহ সকল পাথর কোয়ারী খুলে দেওয়ার দাবিতে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে শনিবার (২৩ জুলাই) দুপুর ১২টায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।


কোম্পানীগঞ্জ পাথর ব্যবসায়ি সমিতির সভাপতি আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা আরো বলেন, দেশের অর্থনীতির এ ক্রান্তিকালে রাষ্ট্রীয় রিজার্ভের ডলার ব্যায় করে বিদেশ থেকে পাথর আমদানি করা হচ্ছে। পক্ষান্তরে আমাদের পাথর কোয়ারীসমূহে মজুদ লাখ লাখ ঘনফুট পাথর উত্তোলন বন্ধ রেখে বৈদেশিক মুদ্রার অপচয়ের মাধ্যমে পাথর আমদানী অব্যাহত রাখা হয়েছে। যুগ যুগ ধরে লাখো শ্রমিক পাথর আহরন করে জীবিকা নির্বাহ করছিল। হঠাৎ করে গত কয়েক বছর ধরে পাথর কোয়ারী বন্ধ রাখার ফলে শ্রমজীবি মানুষগুলো মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

কোয়ারী বন্ধের ফলে দিনমজুর লাখো শ্রমিক অনাহারে জীবন যাপন করছেন এবং পাথর ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্ঠ হাজারো ব্যবসায়ী সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন। তাছাড়া করোনার প্রাদূর্ভাব আর দফায় দফায় বন্যায় হাজার হাজার পরিবারের ঘরবাড়ি বিনষ্ট হয়ে দিশেহারা। বক্তারা সংকটময় এ মূহুর্তে মানুষের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্হানসহ সাবলীল জীবন পরিচালনার স্বার্থে সিলেটের সকল কোয়ারী সচল করার দাবি জানান।

সভায় বক্তব্য রাখেন ইসলামপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জিয়াদ আলী, ব্যবসায়ী নেতা হাজী আব্দুল মান্নান, কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শাব্বির আহমদ, সহ সভাপতি মঈন উদ্দিন মিলন, ইসলামপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর আলম, দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন ইমাদ, পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সহ সভাপতি মৌলানা আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ হোসেন নূর, ইউ.পি সদস্য আজিম উদ্দিন, উতমা পাথর ব্যবসায়ি সমিতির সভাপতি আব্দুল খালিক, মোশারফ হোসেন, ফজর উদ্দিন প্রমুখ।


সিলেটভিউ২৪ডটকম/পিডি