সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বুলবুল আহমেদ (২২) নামের শিক্ষার্থী ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। ঘটনার পর অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো বুলবুলের বান্ধবী মার্জিয়া ঊর্মি।
তিনি মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) বিকেলে হঠাৎ হাসপাতাল থেকে কাউকে কিছু না বলে ‘উধাও’ হয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ তার সন্ধানে নেমেছে। ঊর্মি ঘটনার সময় বুলবুলের সঙ্গে টিলার উপরে ছিলেন বলে জানা গেছে। তিনি নেত্রকোনা সদর উপজেলার বাসিন্দা ও শাবিপ্রবি’র বাংলা বিভাগে প্রথম বর্ষের ছাত্রী।
মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) বিকেলে সিলেটভিউ-কে তথ্যটি নিশ্চিত করে সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার আজবাহার আলী শেখ বলেন- ‘হাসপাতালে ঊর্মি ভর্তি ছিলেন। তিনি কাউকে কিছু না বলে মঙ্গলবার বিকেলে হাসপাতাল থেকে চলে গেছেন। তবে তিনি কী কারণে এবং কোথায় চলে গেছেন সেটা জানার চেষ্টা করছি।’
এর আগে সোমবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে গাজিকালুর টিলায় ছুরিকাঘাতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বুলবুল আহমেদ (২২) খুন হয়েছেন। তিনি নরসিংদী জেলার বাসিন্দা ও শাবিপ্রবির লোক প্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। এসময় টিলায় বুলবুলের সঙ্গে ছিলেন তার বান্ধবী মার্জিয়া ঊর্মি। ছুরিকাঘাতে আহত বুলবুলকে ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে তিনিও সেখানে যান। এসময় বার বার অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছিলেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করান। তবে মঙ্গলবার বিকেলের দিকে তিনি হুট করে ওই হাসপাতাল থেকে ‘উধাও’ হয়ে যান। বর্তমানে তিনি কোথায় আছে পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে।
এদিকে, শাবি শিক্ষার্থী বুলবুল খুনের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইশফাকুল হোসেন বাদী হয়ে জালালাবাদ থানায় অজ্ঞাত কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন ৩ বহিরাগতকে আটক করেছে। আটককৃতরা বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিল। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। এ কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আখতারুল ইসলাম।
সিলেটভিউ২৪ডটকম / মুন্না / ডালিম




