নিজস্ব প্রতিবেদক, বড়লেখা:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত মাদক মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী রাতুল দাসের বিরুদ্ধে ব্যতিক্রমী রায় ঘোষণা করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ জিয়াউল হক সাজার মেয়াদকালিন একজন প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের শর্তে সাজাপ্রাপ্ত এ আসামীকে সংশোধনের সুযোগ প্রদান করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামী রাতুল দাস বিয়ানীবাজার উপজেলার উত্তর পাড়িয়াবহর গ্রামের মৃত রনেন্দু ভূষণ দাসের ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ১৭ জুলাই রাতে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ বাজার সংলগ্ন স্থান থেকে মদ্যপ অবস্থায় পুলিশ রাতুল দাসকে গ্রেফতার করে। পরে থানার এসআই শরীফ উদ্দিন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাতুল দাসের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। পরদিন আদালতের মাধ্যমে পুলিশ তাকে কারাগারে প্রেরণ করে। ডাক্তারী পরীক্ষা ও স্বাক্ষ্য প্রমাণে দোষী সাব্যস্তক্রমে আদালত দ্য প্রবেশন অব অফেন্ডার্স অর্ডিনেন্স, ১৯৬০ এর ৫ ধারার বিধান অনুযায়ী আসামীকে এক বছরের জন্য ৬ শর্তে প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে থাকার নির্দেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. ইকরাম হোসেন জানান, বিজ্ঞ আদালত মাদক মাললায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী রাতুল দাসকে সংশোধনের সুযোগ দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন ও জনসেবামুলক কাজে অংশগ্রহণের শর্তে প্রবেশন রায় ঘোষণা করেছেন।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/লাভলু




