মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনরত চা শ্রমিকদের কাজে ফেরাতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মতবিনিময় হয়েছে।

 


বুধবার দুপুরে দলই ভ্যালী ক্লাবে চা শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সাথে এ মতবিনিময় সভা হয়।

 

সভায় চা শ্রমিকদের কাজে যোগদানের কথা জানালেও মজুরি বৃদ্ধি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ছাড়া কাজে যোগ দেবেন না জানিয়েছে শ্রমিকরা।

 

এ সভায় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন, পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাক, মাধবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আসিদ আলীসহ বিভিন্ন চা বাগানের ব্যবস্থাপক ও সহকারী ব্যবস্থাপকগন।

 

চা শ্রমিকদের পক্ষে পাত্রখোলা চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি ইউপি সদস্য দেবাশীষ চক্রবর্তী শিপন, মদনমোহনপুর চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি উমা সংকর গোয়ালা, শ্রীগোবিন্দপুর চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি মিলন নায়েকসহ বিভিন্ন বাগানের পঞ্চায়েত নেতারা।

 

পাত্রখোলা চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি ইউপি সদস্য দেবাশীষ চক্রবর্তী শিপন বলেন, চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি ঘোষণা না আসলে চা শ্রমিকদের আন্দোলন চলমান থাকবে।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন বলেন, চা শিল্পের স্বার্থ বিবেচনা করে শ্রমিকদের কাজে যোগদানের কথা বলা হয়েছে। চা শ্রমিকেরা মজুরির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা শুনতে চান শ্রমিকরা। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জানানো হবে।

 

চা শ্রমিকদের আন্দোলন বিষয়ে শ্রীমঙ্গলস্থ শ্রম দপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নাহিদুল ইসলাম বলেন, চা শ্রমিকদের মজুরি চুক্তির বিষয়টি সর্ব্বোচ্ছ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত রয়েছে। ধ্বংসাত্মক কিছু যাতে না ঘটে সে বিষয়ে নিয়ে শ্রমিকদের সাথে আলাপ আলোচনা করা হচ্ছে।

 

উল্লেখ্য, বর্তমান বাজারমূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে দৈনিক মজুরি ১২০টাকা থেকে ৩০০ টাকায় বৃদ্ধির দাবীতে গত ৯ আগস্ট থেকে প্রতিদিন দুই ঘন্টার কর্মবিরতি ও ১৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট করছেন সারা দেশের চা শ্রমিকরা।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/জয়নাল/এসডি-২৬