টানা ১৯ দিন কর্মবিরতির পর সোমবার সকালে মাধবপুর উপজেলার ৫টি চা বাগানসহ লস্করপুর ভ্যালীর ২৪ টি চা বাগানে দল বেধে কাজে যোগ দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দৈনিক মজুরি ১২০টাকা থেকে ১৭০টাকা ঘোষনার পর শ্রমিকরা বেশ উৎফল্ল।

 


শ্রমিকদের মজুরি বাস্তবায়নে দাবি মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে চলমান সংকট নিরসন করায় চা শ্রমিকরা তাদের কাজে ফিরে যেতে পরায় হাজারো শ্রমিক প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বাগানে বাগানে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা শুনার পর চা জনগোষ্টির লোকজন তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির গান বাজনা করে নৃত্য করেছেন।

 

তেলিয়াপাড়া চা বাগানের নারী শ্রমিক অনিতা বলেন, আমরা চা বাগানে কাজ করে অভ্যস্ত। এতদিন আমরা কাজ না করতে পেরে আমাদের খারাপ লেগেছে। কিন্তু ১২০ টাকা দৈনিক মজুরিতে চা শ্রমিকদের সংসার জীবন চালানো কঠিন ছিল। তাই বাধ্য হয়ে আমরা সাধারণ শ্রমিকরা নিজ কর্ম থেকে বিরত ছিলাম। আমাদের পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যার প্রতি আমাদের একমাত্র দাবি ছিল তিনি যেন শ্রমিকদের দাবি বাস্তবায়ন করেন। শ্রমিকের এ কষ্টের কথা প্রধানমন্ত্রী হৃদয় দিয়ে অনুভব করেছেন এবং সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করে ৫০ টাকা মজুরি বৃদ্ধি সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষনায় আজ চা বাগানে উৎসব বিরাজ করছে।

 

লস্করপুর ভ্যালির সভাপতি রবীন্দ্র গৌড় বলেন, চা গাছ ও চা বাগানের সঙ্গে শ্রমিকদের প্রাণের সম্পর্ক। চা শিল্প ধ্বংস হয়ে গেলে চা শ্রমিকরা সংকটে পড়বে এটিই সত্য। কিন্তু স্বপ্ল মজুরির কারনে এতদিন চা শ্রমিকদেও মধ্যে অনেক কষ্ট ছিল। এখন প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনায় চা শ্রমিকরা অনেক খুশি ও কাজে ফিরে গেছেন।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/শামীম/এসডি-১৩