ভারত সফরে বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি না হলেও হতাশ নন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বলেছেন, তিস্তা না হলেও সিলেটের কুশিয়ারা নদীর পানিবণ্টন নিয়ে চুক্তি হয়েছে।  বাংলাদেশ যা যা চেয়েছে, ভারত সবই দিয়েছে, যে কারণে তিনি খুশি।

 


এই সফর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালি হাতে ফিরছেন বলে এরই মধ্যে বিরোধীরা যে সমালোচনা করছেন, তার জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সাতটি সমঝোতা স্মারক, পাঁচটি চুক্তি হয়েছে। আমরা খালি হাতে ফিরে আসিনি।’

 

বুধবার সচিবালয়ে কাজ করা সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) সংলাপে তিনি এ কথা জানান।

 

সোমবার চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী যান ভারতে। সফরের দ্বিতীয় দিন দেশটির সরকারপ্রধান নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শেষে সাতটি বিষয়ে সমঝোতার কথা জানানো হয়। বাংলাদেশের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত তিস্তা চুক্তির বিষয়টি আবার আশা প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে।

 

যে চুক্তি ২০১১ সালে দেশটির সরকারপ্রধান মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরেই হওয়ার কথা ছিল, সেটি আরও ১১ বছরেও দেখল না আলোর মুখ।

 

আওয়ামী লীগের গত মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে ২০১৭ সালে শেখ হাসিনা যখন ভারতে রাষ্ট্রীয় সফরে যান, তখন মোদি বলেছিলেন বাংলাদেশে শেখ হাসিনা ও তার সরকারের মেয়াদেই তিস্তা চুক্তি হবে। কিন্তু ওই সরকারের মেয়াদ শেষে এই চুক্তি হয়নি। আর এবারের সফরে যে তিস্তা চুক্তি হচ্ছে না, সেটি আগে থেকেই অনুমিত ছিল।

 

মোদির সঙ্গে বৈঠক শেষে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে অনেক অনিষ্পন্ন সমস্যার সমাধান ইতোমধ্যে করেছি। আমি আশা করি তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তিসহ অন্য অনিষ্পন্ন বিষয়গুলো শিগগিরই করতে পারব।’

 

‘আমি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানাই, আজকে আমরা কুশিয়ারা ইস্যু সমাধান করেছি এবং আমি আশাবাদী, মোট যে ৫৪টি নদী আছে, সেগুলো… আমি জানি, যতক্ষণ পর্যন্ত মোদি আছেন, বাংলাদেশ-ভারত আমরা সব সমস্যার সমাধান করে ফেলব।’

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/এনবি/মাহি