গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর উপজেলা এবং সদর উপজেলার খাদিমপাড়া ইউনিয়ন, কানাইঘাট উপজেলার বড়চতুল ও লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ে সিলেট জেলা পরিষদের সংরক্ষিত ৪নং ওয়ার্ড। সংরক্ষিত ৪নং ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ৩৩৪ জন। তার মধ্যে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. লাল মিয়া ও ইছাকলস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদুর রহমান পবিত্র উমরাহ পালনে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। এছাড়াও গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ ওয়ার্ডের ৪ সদস্য হাজতে রয়েছেন। ফলে সিলেট জেলা পরিষদের সংরক্ষিত ৪নং ওয়ার্ডে বর্তমানে ভোটার সংখ্যা ৩২৮।


জেলা পরিষদ নির্বাচনে সিলেটের সংরক্ষিত ৪নং ওয়ার্ড থেকে সদস্য পদে লড়ছেন ৫ জন হেভিওয়েট প্রার্থী। তার মধ্যে দোয়াত কলম মার্কা নিয়ে লড়ছেন সিলেট জেলা পরিষদের বর্তমান সদস্য তামান্না আকতার হেনা।। বই মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন রোটারিয়ান তাসলিমা আক্তার রিনা।। মাইক মার্কা নিয়ে লড়ছেন মরিয়ম বেগম।
ফুটবল প্রতীকে নির্বাচন করেছেন সুমি বোগম। এছাড়া হরিণ  মার্কা নিয়ে লড়ছেন রহিমা বেগম চম্পা।


আগামীকাল সোমবার (১৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হইবে জেলা পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা নির্ঘুম প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। জেলা পরিষদ নির্বাচন সদস্য পদে নিজেদের পক্ষে ভোটারদের মতামত পাবার জন্যে প্রার্থী ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, আত্মীয় স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের সহযোগিতা নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন প্রার্থীরা।

সরেজমিনে সিলেট জেলা পরিষদের সংরক্ষিত ৪ নং ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত ৪নং ওয়ার্ডে সদস্য পদে মূল লড়াই হবে দ্বিমুখী। তাদের মতে, এখনো অনেক এগিয়ে রয়েছেন গোয়াইনঘাটের মেয়ে ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পুত্রবধু জেলা পরিষদের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য তামান্না আকতার হেনা। তার মূল প্রতিদ্বন্ধীতা হবে রোটারিয়ান তাসলিমা আক্তার রিনার সাথে। অপরদিকে  গোয়াইনঘাট উপজেলা থেকে সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মরিয়ম বেগম একক প্রার্থী হওয়ায় এবং সক্রিয়ভাবে প্রচার- প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ায় প্রতিদ্বন্ধীতায় মাইক মার্কাও এগিয়ে আছে। এছাড়াও জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাটের মেয়ে সুমি বেগম এবং কোম্পানীগঞ্জের রহিমা বেগম চম্পা পাশাপাশি অবস্থানে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/এমএএম/আরআই-কে