জিম্বাবুয়ের দেওয়া ১৩১ রানের স্বল্প পুঁজির লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের ইনিংস থেমেছে ১২৯ রানে। চরম উত্তেজনার ম্যাচে পাকিস্তানকে মাত্র ১ রানে হারিয়ে দারুণ জয় তুলে নিয়েছে জিম্বাবুয়ে।


আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৩০ রানের সাদামাটা সংগ্রহ পেয়েছিল জিম্বাবুয়ে। মূলত শাদাব খান এবং মোহাম্মদ ওয়াসিমের বোলিং তান্ডবে দিশেহারা হয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। পাকিস্তানি পেস বোলার ওয়াসিম একাই নেন ৪ উইকেট এছাড়া শাদাব খান নেন ৩ উইকেট।



জিম্বাবুয়ের শন উইলিয়ামস ফিরেছেন ৩১ রান করে। শেষ দিকে ব্রাড ইভান্সের ১৫ বলে ১৯ রানের চেষ্টায় সম্মানজনক স্কোর পায় জিম্বাবুয়ে।


জিম্বাবুয়ের দেওয়া ১৩১ রানের স্বল্প পুঁজির লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই অধিনায়ক বাবর আজমকে হারিয়ে বসে পাকিস্তান। এরপর আবার দলীয় ২৩ রানে পাক শিবিরে আঘাত হানেন ব্লেসিং মুজারাবানি। ফিরিয়ে দেন মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ১৪ রানের মাথায়। যদিও এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন শান মাসুদ। তবে খানিকবাদেই আবারও ইফতিখারকে হারিয়ে বিপদে পড়ে পাকিস্তান।


এমন অবস্থা থেকে ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন শাদাব খান, সঙ্গে শান মাসুদকে সঙ্গে নিয়ে। দলকে জয়ের বন্দরে ভেড়াতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন এই দুই ব্যাটার। তবে বড় আঘাত আসে ১৩তম ওভারে সিকান্দার রাজার বোলিংয়ে। এক ওভারে এই অলরাউন্ডার ফেরান হায়দার আলি এবং শাদাব খানকে। তখনই ম্যাচের গতিপথ বদলাতে থাকে।


ব্যক্তিগত ৪৪ রানে থাকা অবস্থায় সেই রাজার বলে কাটা পড়েন মাসুদ। ম্যাচ তখনো দুলছিল পেন্ডুলামের মতো। পাকিস্তানের হয়ে এরপর চেষ্টা চালাতে থাকেন মোহাম্মদ নেওয়াজ এবং মোহাম্মদ ওয়াসিম। তবে ঠিক ব্যাটে বলে সংযোগ ঘটাতে পারছিলেন না কেউই। শেষ দুই ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ২২ রান।


এরপরই খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন নেওয়াজ, ১৯তম ওভারে নাগারাভার একটি বল মেরে দেন সীমানার বাইরে, ছক্কা। ফলে শেষ ওভারে প্রয়োজন পড়ে ১১ রানের। ২ বলে ৩ রানের প্রয়োজন। এমন সময়ে আউট নেওয়াজ, ম্যাচ জমে ক্ষীর। শেষ বলে প্রয়োজন ১ বলে ৩ রান। শাহীন আফ্রিদি স্ট্রেইট ড্রাইভে মেরে ২ রান নেওয়ার চেষ্টা করলেও ১ রানে থামতে হয়, রান আউটের কবলে পড়ে। ফলে জিম্বাবুয়ের জয় ১ রানে।


ম্যাচ সেরা হয়েছেন বোলিংয়ে ৩ উইকেট নেয়া সিকান্দার রাজা।


সিলেটভিউ২৪ডটকম/এএইচএম/পিডি