সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক্স ভোটিং মেশিন ইভিএম এ কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন পরাজিত স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুল ইসলাম। ইভিএম মেশিনে জালিয়াতির কারণে তার পরাজয় ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করেন তিনি।
কামরুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি নগন্য থাকলেও ৪৮ হাজারের বেশি ভোট কাস্টিং অস্বাভাবিক । ভোটের আগের দিন তার এজেন্টদের হুমকী প্রদানের অভিযোগ এনে তিনি বলেল প্রশাসনের লোকজন আমার এজেন্টদের কেন্দ্র না যাওয়ার জন্যও হুমিক প্রদান করেছন। ফলে ভোটের দিন অনেক কেন্দ্রে ভয়ে কোন এজেন্ট ছিল না। ভোট চলাকালে কয়েকটি ভোট কেন্দ্র থেকে নিজের এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে উল্যেখ করে তিনি বলেন,আমি বার বার প্রশাসনকে অবহিত করেছি।কয়কটি কেন্দ্র প্রশাসন পৌছার আগেই ইভিএমে কারচুপি করা হয়েছে। এমনকি পুলিং অফিসার, আনসার সদস্যরাও অন্যের ভোট দিয়েছেন। ভোটকেন্দ্র না আসার জন্য ভোটারদের ভয়ভিতি প্রদর্শন করা হয়েছে। সকালে ভোটার না থাকলেও বিকালে ভোটের হিসাব অনেকেই মেলাতে পারছোন না।
এব্যাপারে নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার সুনামগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুরাদ উদ্দিন হাওলাদার বলেন, ইভিএম এমন একটি মেশিন যা দিয়ে জালিয়াতির কোন সুযোগ নেই। পরাজিত প্রার্থীর এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে জানান তিনি।
সিলেটভিউ২৪ডটকম / রনিক / ডি.আর




