হলি-ডে ক্রিকেটার্সের আয়োজনে এবং ইয়াং ফাইটার্স এর সহযোগীতায় ১ম পীরমহল্লা লিজেন্ড লীগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল খেলা শুক্রবার পীরমহল্লা কচমচ মাঠে সম্পন্ন হয়েছে।

 


ফাইনালে লিচুবাগান লিজেন্ড পীরমহল্লা লিজেন্ড কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

 

সাংবাদিক হাসান মো. শামীমের এবং সুমন হকের যৌথ সঞ্চালনায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পীরমহল্লা পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং মিঞা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা নাজিম উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- পীরমহল্লা পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি এবং মিঞা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল বশর হুসাইন।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- পীরমহল্লা পঞ্চায়েত কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক এবং মিঞা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মখলিছুর রহমান মখলিছ, পীরমহল্লা পঞ্চায়েত কমিটির সহ সভাপতি শায়েস্তা তালুলদার, হ্যাপি ক্লাবের সভাপতি মেহেদী হাসান, প্রভাতি সংঘের সাধারণ সম্পাদক ছালিকুর রহমান এবং হ্যাপি ক্লাবের অর্থ সম্পাদক আজিজুল হক গাজী প্রমুখ।

 

মাসব্যাপি চলা এই টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছিলো চারটি দল। রাউন্ড রবিন লীগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত গ্রুপ পর্বের ম্যাচ শেষে ফাইনালে জায়গা করে নেয় লিচুবাগান ও পীর মহল্লা। আর বাদ পরে টুর্নামেন্টের অন্য দুই দল প্রভাতী লিজেন্ড ও আখলকুয়া লিজেন্ড।

 

ফাইনালে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় পীর মহল্লা লিজেন্ড। পুরো টুর্নামেন্টে অসাধারন ব্যাটিং করলেও ফাইনালে নার্ভ ধরে রাখতে পারেননি পীরমহল্লার ব্যাটসম্যানরা। আট ওভারের খেলায় পাচ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৫৩ রান করতে পারে তারকা সমৃদ্ধ দলটি।

 

অপরদিকে মাপা লাইন লেংথ বজায় রেখে শুরু থেকেই ইকোনমিকাল বোলিং করেন লিচুবাগানের বোলাররা। বিশেষত আবুল রোমেল আখতার ও হৃদয়ের বোলিং তোপে খেই হারিয়ে ফেলেন পীর মহল্লার ব্যাটসম্যানরা। পীরমহল্লার পক্ষে রবিউল সর্বোচ্চ ২০ রান করেন। এছাড়া রাসেল করেন ১৯ রান।

 

মাত্র ৫৪ রানের লক্ষ্যমাত্রায় ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই দুই উইকেট হারিয়ে বসে লিচুবাগান। দলের অধিনায়ক রোমেল (৬) ও সৌরভ (০) কে ফিরিয়ে দিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলার ইংগিত দেন পীরমহল্লার ওপেনিং বোলার সুমন। তবে এর  পরের এক অভারে ২৮ রান খরচ হওয়ায় ও বেশ কিছু ক্যাচ মিসের খেসারত হিসেবে ম্যাচে ফিরতে পারেনি পীরমহল্লা লিজেন্ড। লিচুবাগানের ওপেনার হৃদয় একাই অপরাজিত ৪০ রানের ইনিংস খেলে দলকে পৌছে দেন জয়ের বন্দরে। ফাইনালের ম্যান অব দ্যা ম্যাচ ও হয়েছেন তিনি। এছাড়া যৌথভাবে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরষ্কার পান অপু ও হৃদয়।

 

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন খেলাধুলার মাধ্যমে যুব সমাজকে অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা সম্ভব। খেলাধুলা শরীর ও মনের বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করে।

 

তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের খেলাধুলায় পীরমহল্লা পঞ্চায়েত কমিটি এবং প্রভাতি সংঘ  সবার পাশে থাকবে এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবে।

 

উক্ত ফাইনাল খেলায় ম্যাচ অফিশিয়াল হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. নাঈম আহমেদ এবং মো. সামাদ হোসেন আর টুর্নামেন্টে সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন সৌরভ আহমেদ, রুমেল আহমেদ, আবুল মজুমদার, রিদভী জামাল, অপু রহমান,তারেক চৌধুরী, রিপক, টিপু, অপু, তাছিম, রিদয়, রিয়াদ, রবিউল, মুন্না, রিদয়, আব্দুল্লাহ, জামাল, রাসেল, ইমনসহ হলি-ডে ক্রিকেটার্স এবং ইয়াং ফাইটার্স এর সকল খেলোয়াড়বৃন্দ।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/প্রেবি/এসডি-১৮