সিলেট জেলা বিএনপি নেতা আ ফ ম কামাল খুনের ঘটনার মামলায় এ পর্যন্ত ৩ আসামিকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গ্রেফতারকৃতদের বুধ ও বৃহস্পতিবার আদালতে প্রেরণ করে তিনজনেরই ৭ দিন করে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। তবে এ আবেদনের শুনানি হবে আগামী রোববার (১৩ নভেম্বর)।
বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এসব তথ্য সিলেটভিউ-কে নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির।
সিলেট জেলা বিএনপি নেতা কামাল খুনের ঘটনায় সর্বশেষ দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯। বুধবার রাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে আরেকজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সিলেটের বিমানবন্দর থানার বাদামবাগিচা আবাসিক এলাকার মাসুকের ছেলে মিশু (২৬), গোয়াইপাড়ার মৃত নুর মিয়ার ছেলে মনা (২৫) ও বড়বাজার গোয়াইপাড়া এলাকার মৃত নুর মিয়ার ছেলে কুটি মিয়া (২৪)। এদের মধ্যে মিশু মামলার এজাহারনামীয় ৪, মনা ৬ ও কুটি ৫ নং আসামি।
গত রোববার রাত ৮টার দিকে সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আ ফ ম কামাল সিলেট বিমানবন্দর এলাকা থেকে আম্বরখানা বড়বাজার হয়ে গোয়াইটুলার দিকে যাচ্ছিলেন। তার গাড়িকে অনুসরণ করছিল দুটি মোটরসাইকেল। তাতে আরোহী ছিলেন তিনজন। পরে আরেকটি মোটরসাইকেলে থাকা দুই ব্যক্তি বড়বাজার ১১৮নং বাসার সামনে কামালের গাড়ির গতিরোধ করে। পরে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে খুনিরা পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা কামালকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে নিহতের বড় ভাই ময়নুল হক বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ছাত্রলীগ কর্মী আজিজুর রহমান সম্রাটকে প্রধানকে ১০ জনের নামোল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাত আসামি আছেন আরও পাঁচ-ছয়জন।
ঘটনার সিলেটজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খুনীদের ধরতে চিরুনি অভিযান শুরু করে র্যাব-পুলিশ। পরবর্তীতে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কুটি মিয়াকে এয়ারপোর্ট থানাপুলিশ এবং সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ থানার নোয়াখালি বাজার এলাকার নুরপুর থেকে মিশু ও মনাকে র্যাব গ্রেফতার করে। তবে মূল অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা এখনও অধরা।
সিলেটভিউ২৪ডটকম / ডালিম




