ফাইল ছবি

দেশের ইতিহাসে প্রথম বঙ্গবন্ধু ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘরটি এখন শ্রীমঙ্গলে। শনিবার (১২ নভেম্বর) সকালে এটি শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনে প্রদর্শন করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো আব্দুস শহীদ এমপি এই জাদুঘর উদ্বোধন করার পর সাধারণ মানুষের জন্য এটি খুলে দেয়া হয়েছে। জাদুঘরটি প্রদর্শনীর জন্য শ্রীমঙ্গলে পাঁচদিন থাকবে।

জানা যায়, দেশের প্রান্তিক মানুষের কাছে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধ ও সংগ্রামী জীবনী তুলে ধরতে রেল মন্ত্রণালয় থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।


জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধ ও সংগ্রামী জীবনের ছবি ও ডকুমেন্টারি তুলে ধরা হয়েছে। প্রায় ৫৭ ফুট লম্বা এই জাদুঘরটি সাজানো হয়েছে বাহারী ফুল দিয়ে। ভেতরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আর দৃষ্টিনন্দন কারুকাজের সৌন্দর্যে মুগ্ধ করছে দর্শনার্থীদের। উদ্বোধনের পর থেকেই নানা বয়সের মানুষ এসে ভিড় করছেন এই জাদুঘরে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জাদুঘর ঘুরে দেখছেন। তারা জানছেন, বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে।


জাদুঘরে ১৯২০ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ১২টি গ্যালারির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিটি গ্যালারিতে ছবি প্রদর্শনের পাশাপাশি হেড ফোনে তৎকালীন সময়ের ধারাবর্ণনা শোনা যাচ্ছে। নতুন প্রজন্ম খুব আগ্রহ নিয়ে গ্যালারিতে রাখা ভিডিওগুলো দেখছে।


জাদুঘরে শোপিসে টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধুর আদি পৈত্রিক বাড়ি, সমাধীসৌধ, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্থন, বঙ্গবন্ধু ব্যবহৃত প্রতীকি চশমা, মুজিব কোট, পাইপ, মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ, জাতীয় শহীদ মিনার, কারাগারের রোজ নামচা ও মুজিব শতবর্ষের লগো প্রদর্শন করা হয়েছে। এই ভ্রাম্যমাণ জাদুঘর থেকে নতুন প্রজন্ম বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধুর জীবনী ও তার আদর্শ সম্পর্কে জানতে পারছে।


শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশর মাস্টার সাখায়াত হোসেন বলেন, জাদুঘরটি এই পাঁচ দিন থাকবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা ও বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে।


প্রানিন্ত থিয়েটারের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান বলেন, এই জাদুঘর থেকে নতুন প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুকে দেখতে পারবে এবং বাংলাদেশের ইতিহাস জানতে পারবে।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/ইআ-১৮