সিলেট বিভাগে পরিবেশ অধিদপ্তর সরব রয়েছে। যেখানে পরিবেশগত ছাড়পত্র ব্যতীত প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতিসাধন করায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অমান্য করা হচ্ছে সেখানে অভিযান চালাচ্ছে প্রতিষ্ঠান। গত বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) এনফোর্সমেন্ট শুনানি ৪০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ২৩ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। 

 


বিষয়টি রোববার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এমরান হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

তার তথ্যানুসারে বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার দিরাইয়ের সিলভিয়া  ফিলিং স্টেশনকে ২০ হাজার, ছাতকের একে ফিলিং স্টেশনকে ৫০ হাজার, সিলেটের গোটাটিকর বিসিকের উত্তরা মোটরসকে ১ লাখ, একই এলাকার নিটল মোটরসকে ২০ হাজার, সুনামগঞ্জের সদর উপজেলার নবীনগর এলাকার হাজী আবিদ উল্লাহ অটো রাইছ মিলকে ৫০ হাজার, সুনামগঞ্জ সদরের তাহমিদ অটো রাইছ মিলকে ৩০ হাজার, একই এলাকার মা অটো রাইছ মিলকে ২০ হাজার, নূর অটো রাইছ মিলকে ৪০ হাজার, দিরাইয়ের আলমাস স’ মিলকে ১০ হাজার, মোহাম্মদী স’ মিল-২ কে ২৫ হাজার, দিরাইয়ের রাসেল স’ মিলকে ১০ হাজার, শ্রীমঙ্গলের হোটেল টনি প্যালেসকে ৫০ হাজার, একই এলাকার হোটেল ইছাকি এমোসকে ১ লাখ, শ্রীমঙ্গলের সুলতান রেস্টুরেন্ট এন্ড গেস্ট হাউজকে ১৫ হাজার, শ্রীমঙ্গলের হোটেল মহসিন প্লাজাকে ১ লাখ, শ্রীমঙ্গলের সানজিদা ডোর এন্ড ফার্নিচারকে ১০ হাজার, মৌলভীবাজারের এনাইড ফুড লি.-কে ২০ হাজার, ছাতকের কিবরিয়া কমিউনিটি সেন্টারকে ১ লাখ, জাফলংয়ের বিসমিল্লাহ স্টোন ক্রাশারকে ১০ হাজার, জাফলংয়ের বিএস স্টোন ক্রাশারকে ৫০ হাজার, একই এলাকার নিউ কুমিল্লা স্টোন ক্রাশারকে ৫০ হাজার, জাফলংয়ের ফাহিমা স্টোন ক্রাশারকে ৫০ হাজার, জাফলংয়ের জমির স্টোন ক্রাশারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

 

এছাড়াও পাহাড় টিলা কর্তন করার অভিযোগে গোলাপগঞ্জের বনখেলী এলাকার শাহেদ আহমেদ ও আব্দুস সামাদকে সাড়ে ৩ লাখ, একই এলাকার লায়েক আহমদকে দেড় লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়েছে। 

 

পরিবেশগত ছাড়পত্রের শর্তভঙ্গ করে পরিবেশ দূষণ ও প্রতিবেশের ক্ষতিসাধন করার দায়ে সিলেট নগরের উপশহরে অবস্থিত প্রেসিডেন্ট রেস্টুরেন্টকে ১ লাখ, নগরের কদমতলীস্থ পানসী রেস্টুরেন্টকে ৩৫ হাজার, নগরের জিন্দাবাজারস্থ পানসী রেস্টুরেন্টকে ৪০ হাজার, জিন্দাবাজারস্থ পাঁচ ভাই রেস্টুরেন্টকে ১ লাখ, হবিগঞ্জের মাধবপুরে ম্যাটাডোর প্লাস্টিক এন্ড রাবার ইন্ডাস্ট্রিকে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য করে আদেশ দেওয়া হয়েছে। 

 

তাছাড়া মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নে পাহাড় থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের দায়ে ৫ ব্যক্তিকে ৪০ হাজার করে ২ লাখ টাকা এবং পাহাড় টিলা কাটার দায়ে ৪ ব্যক্তিকে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য করে আদেশ প্রদান করা হয়।

 

এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এমরান হোসেন বলেন- ‘পাহাড় টিলা কর্তনকারীদের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।’

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/মুন্না-১২