প্রায় এক যুগ থেকে হামলা-মামলা, কারাবরণ, পলাতক জীবন, প্রবামগমণসহ বিভিন্ন ভাবে নিষক্রিয় হয়ে পড়েছিল সারাদেশসহ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সম্প্রতি সারাদেশে বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে দলের নেতাকর্মীরা চাঙ্গা হচ্ছে। বিভিন্ন সমাবেশে মানুষের ঢল নামছে। আগামী ১৯ নভেম্বর সিলেটে অনুষ্টিত হবে বিভাগীয় সমাবেশ। এ সমাবেশকে কেন্দ্র করে জুড়ীতে সরব হয়ে উঠছে দলের তৃণমূলকর্মীরা।
দলের চেয়ার পার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নির্দলীয় তত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে উক্ত সমাবেশ সফলের লক্ষ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সংগঠনটি কাজ করছে। ইত্যবসরে উপজেলা শহরসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণের মধ্য দিয়ে প্রচারণা চালানো হয়েছে। প্রচারণায় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নির্বিঘেœ অংশ নেন। উক্ত গণসংযাগের মাধ্যমে তৃণমূলের ঝিমিয়ে পড়া নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাহিরের থাকায় মনোবল হারিয়ে ফেলা নেতাকর্মীরা তাদের মনোবল ফিরে পাচ্ছে। কেননা একদিকে এ কাজে স্থানীয় বিএনপি বিভিন্ন কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। পক্ষান্তরে মাঠে কোন কার্যক্রমে নেই ক্ষমতাসীল দল। যে কারনে দেশের অন্যান্য স্থানের মত জুড়ীতে ক্ষমতাসীন দল বা পুলিশের তেমন বাঁধার সম্মূখীন হতে হচ্ছে না তাদের। দলটির মধ্যে প্রকাশ্যে-গোপনে তিনটি ধারা বিরাজমান। তবুও কোন ধরনের বিদ্রোহ ছাড়াই কিছুদিন পূর্বে উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারনে সবাই নিরব রয়েছেন।
জানতে চাইলে জুড়ী উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও জায়ফরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাছুম রেজা জানান, জুড়ীতে বিএনপি পরিবার ঐকবদ্ধ। এখানে কোন দ্বন্ধ নেই। সিলেটের সমাবেশে জুড়ী থেকে প্রায় দুই-আড়াই হাজার মানুষ নেওয়ার টার্গেট করা হয়েছে। এজন্য যাতায়াতের জন্য পর্যাপ্ত বাস রাখা হবে। তাছাড়া ধর্মঘট হওয়ার আশংকায় এরই মধ্যে অনেক নেতাকর্মী সিলেট চলে গেছেন, তারা বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করছেন।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/মঞ্জুরে/এসডি-১৭




