বিশ্বনবী মুহাম্মদ সা. এর জীবনের অলৌকিক ঘটনাবলীর উপর গবেষনা করে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, ক্যালিফোর্নিয়া থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন বিশিষ্ট আইনজীবি, শিক্ষাবিদ, সাপ্তাহিক সুরমা এক্সপ্রেস পত্রিকার সম্পাদক জিয়াউর রহিম শাহিন। পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করায় তাঁর বাড়িতে শোকরানা মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
মাহফিলে বক্তারা বলেন, প্রবাসী অধ্যুষিত সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা নানাবিধ সম্পদে ভরপুর থাকলেও শিক্ষাদীক্ষায় অনেকটা পিছিয়ে। উপজেলার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার দিকে উদ্বুদ্ধ করতে ইসলামী চিন্তা চেতনায় সমৃদ্ধ , অনলবর্ষি বক্তা এডভোকেট শাহিনের গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার ফসল হলো তার পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন।
তারা জানান, ঐতিহ্যবাহী হবিবপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী পরিবারের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আবদুর রহিম মাস্টারের অন্যতম পুত্র শাহিন বহুগুণে গুণান্বিত। শিক্ষাজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা । রাজনীতি, আইনপেশা, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, স্থানীয় উন্নয়ন ও লেখালেখিসহ প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই তিনি মেধা ও সততার স্বাক্ষর রাখছেন । জগন্নাথপুর কলেজকে ডিগ্রি কলেজে উন্নীত করতে তাঁর অসামান্য অবদান চিরস্মরনীয় । অ্যাডভোকেট শাহিনের এ অর্জন হবিবপুর তথা জগন্নাথপুরের ইতিহাসে নতুন সংযোজন ।
সম্প্রতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব বজলুর রশীদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম হীরা, বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন হবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুল হাকিম, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এডভোকেট আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু হোরায়রা ছাদ মাষ্টার, সুনামগঞ্জ জেলা বারের সাবেক সভাপতি এডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন সোহেল, বিশিষ্ট কবি সাহিত্যিক গোলাম রব্বানি চৌধুরী, ইকড়ছই সিনিয়র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সাইফুর রহমান, হবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদরাসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুফতি গিয়াস উদ্দিন, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ রোটারিয়ান এম এ মুকিত ।
বক্তব্য রাখেন হলিয়ারপাড়া মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা নুরুল হক, জগন্নাথপুর কেজি স্কুলের অধ্যক্ষ বিনয় কুমার সরকার, ঘিলাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আফজল হোসেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক আব্দুল হাই, বিএনপি নেতা সৈয়দ মোসাব্বির আহমদ, কাউন্সিলর কামাল হোসেন প্রমুখ ।
শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন অ্যাডভোকেট শাহিনের ভাতিজা পাঁচ বছর বয়েসি আরাফাত আরেফিন । বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মুফতি মাওলানা গিয়াস উদ্দিন।
সাজেদা খানম বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্যে ড. জিয়াউর রহিম শাহিন উপস্থিত সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন , এ ডিগ্রি অর্জনের পেছনে তার বড় ভাই নুরুর রহিম লুলুর অবদান স্মরনীয় হয়ে থাকবে । তিনি তার ভাইর সকল অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন । তিনি অবনত মস্তকে আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করে সকলের দোয়া কামনা করেন ।
অন্যদের মাঝে মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আবুল মনসুর, প্রবাসী মোজাম্মেল হোসেন চৌধুরী, দিলওয়ার হোসেন, আখতার হোসেন, মনজুর আহমদ পাখি, আছকন আলী মেম্বার, সাব্বির আহমদ, প্রবাসী এম এনুর, মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী লিটু , মাওলানা আলী হোসেন, ব্যাংকার জাবেদ সুফিয়ান , শাহেদ আহমদ, মাওলানা সানাওর আলী, সোহেল আহমদ, মাস্টার মিজানুর রহমান, আনিস আহমদ, আলকাব আলী, আব্দুল হান্নান, আফরোজ মিয়া, হাজী মনসুর আহমদ, তাইফুর রহিম নাহিদ প্রমুখ ।
অনুষ্ঠানের আয়োজক ড. মুহাম্মদ শাহিনের বড় ভাই শিক্ষানুরাগি নুরুর রহিম লুলু সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তার প্রিয় ছোট ভাইর এমন কৃতিত্বে আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করেন ।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/শহিদনুর/পিডি




