বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি এবং যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের কারামুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন হাসান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্নাসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সিলেট মহানগর ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ড যুবদলের উদ্যোগে  মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় মিছিলটি মহানগরের মদীনা মার্কেট থেকে শুরু হয়ে সুবিদবাজার ঘুরে ফের মদীনা মার্কেটে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত সভা। 


সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মির্জা মো: সম্রাট হোসেন বলেন, এই সরকারের বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে। সরকার পতন এখন শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। যেভাবে তারা যুবদলের বিভিন্ন নেতাকর্মীদের হত্যা, নির্যাতন করছে তাতে তাদের শেষ রক্ষা হবে না। বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই দেশের প্রশাসনের উপর জনগণের যে আস্থা সেটা আস্তে আস্তে বিলীন হয়ে গেছে। আজকে প্রশাসনকে হাসিনা এমন জায়গায় নিয়ে গেছে, যা শুধু নিজের ব্যক্তিগত ও তার পরিবারের কাজে ব্যবহার করছেন। এই হাসিনা সাধারণ জনগণের পাশে নাই। এই খুনি সরকার যতদিন থাকবে ততদিন সাধারণ মানুষ কোন শান্তি পাবে না। কেন্দ্রীয় যুবদল নেতৃবৃন্দ ও জাতীয় নেতৃবৃন্দের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।

৮ নং ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক আজাদ রহমানের সভাপতিত্বে এবং  ৭ নং ওয়ার্ড যুবদলের ১ম যুগ্ম আহবায়ক কাওছার হোসেন খান ও ৯ নং ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক কবির হোসেনের যৌথ পরিচালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য ও উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সাবেক সদস্য উসমান গনী, ৭ নং ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক শাহীন আজাদ খোকন, মো. বাবলু, ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী, যুবদল নেতা এস এম সেফুল, ৮ নং ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক  রাছন মিয়া, ৭ নং ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রাহাত আহমেদ টিপু, সোমায়েল আহমদ,সিদ্দিক পারভেজ,মুহিন আজাদ,যুগ্ম আহবায়ক আসাদুর রহমান রনি,আব্দুর রউফ, মিসবা খান, ইলিয়াসুর রহমান ইলিয়াস, রাজন আহমেদ,এড. হেলাল আহমদ, আলী রাজা রাজন,আজিদ আহমদ,রুবেল আহমদ,কবির আহমদ, সোহেল মিয়া, রায়হান আহমেদ,বিপুল আহমদ, সানোয়ার, বেলাল আহমদ, মিসবাহ, শাহীন আহমদ, জুনেদ, আকরাম, আজফল, শরীফ ও বাসিত প্রমুখ।

সিলেটভিউ২৪ডটকম / স.বি / ডি.আর