শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজকর্ম বিভাগের আয়োজিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে তিন দিনব্যপী এ কনফারেন্সের সমাপনী আয়োজন করে বিভাগটি।
এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সমাজকর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কৃত্তিবাস পালের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার ইউনিভার্সিটাস বায়াঙ্কারার সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. আদি ফাহরুদ্দিন এবং গেস্ট অব অনার হিসেবে সিলেটের মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বক্তব্য দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ছাদেকুল আরেফিন বলেন, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং বাস্তুতন্ত্রের অখণ্ডতার সঙ্গে আপোষ না করে মানুষের সম্ভাবনার উন্নয়ন হলো টেকসই উন্নয়ন।
বঙ্গবন্ধুর দৃষ্টিতে আলোকিত মানুষের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ''তারাই আলোকিত মানুষ যারা টেকসই সমাজ উন্নয়নের গতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে কাজ করেন। সেজন্য টেকসই সমাজ উন্নয়নের লক্ষ্যগুলো কাঠামোগত এবং পদ্ধতিগত হওয়া উচিত। সমাজকর্ম বিভাগে এই পদ্ধতিগুলো উন্নয়নের মাইলফলক অর্জনের পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করতে পারে।''
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বলেন, সমাজকর্ম শুধুমাত্র গ্রাজুয়েটদের বিভিন্ন ধরনের পেশাগত ভূমিকা পালন করতে সক্ষম করতে তাত্ত্বিক এবং ব্যবহারিক জ্ঞানই প্রদান করে না বরং তাদের একটি অনন্য অবস্থানে রাখে যাতে তারা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারে। আশাকরি, এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন রাষ্ট্রের কল্যাণে সমাজকর্ম ও টেকসই সমাজ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কনফারেন্স সম্পর্কে বিবৃতি প্রদান করেন সম্মেলনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আ ক ম মাহবুবুজ্জামান, ভোট অব থ্যাংকস প্রদান করেন সদস্য সচিব অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান এবং সমাপনী বক্তব্য দেন সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন।
কনফারেন্সের আয়োজকরা জনান, তিন দিনব্যাপী এ কনফারেন্সে চারটি কী নোট অধিবেশন ও ২৮টি প্যারালাল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভারত ও বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৪টি দেশের ২৫০জন গবেষক ১৬৬টি নিবন্ধ উপস্থাপন করেন।
সিলেটভিউ২৪ডটকম / নোমান/ নাজাত-১০




