প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সখ্যতা পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকেই। আর প্রাণীকুলের সঙ্গেও মানুষের সম্পর্ক আদিকালের। আমাদের পৃথিবীর প্রত্যেকটি জীব একে অপরের নিকট প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। বন্য পশু-পাখিকে পোষ মানানো মানুষের দ্বৈত জীবনের প্রথম প্রয়াস বলা যায়।

 


আসলে মানুষের ভালবাসা পেলে পশুও মানবতার চরম মূর্ত প্রতীক হয়ে ওঠে। কিন্তু সমাজের কিছু মানুষের পশুত্ব হিংস্র ও উগ্র প্রাণীর মতো বেড়েই চলছে রোজ।


পশুদের মধ্যে যে প্রাণীটি সবচেয়ে বেশী প্রভুভক্ত, কুকুরের স্থান তার সবথেকে উপরে।

 

পৃথিবীতে হরহামেশাই এমন অনেক ঘটনা ঘটে থাকে যেখানে মনিবের প্রাণের নিরাপত্তা দিয়ে থাকে একটি সামান্য কুকুর। আসলে কুকুর বিশ্বাসঘাতকতায় সায় দেয় না, সেটা হোক যে কোনো পরিস্থিতি।

 

বর্তমানে সব সেনাবাহিনীতেই ডগ স্কোয়ার্ড রয়েছে। বোমা নিষ্কাশন থেকে শুরু করে অনেক বিপদজনক কাজের সমাধান করছে পোষা কুকুর।

ইউনিভার্সিটি অব ভিয়েনার একদল গবেষক বিভিন্ন প্রজাতির ২৬০টি কুকুরের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে বলেছেন, নিজের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে অনেক সময় মানুষের মিথ্যা ও প্রতারণা শনাক্ত করতে পারে কুকুর। তখন প্রাণীটি মানুষের নির্দেশনা অমান্য করে। রয়েল সোসাইটির বি জার্নালে এ–সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

 

তেমনি এক আজব ফটো সিলেট নগরীর ক্বীন ব্রীজ এলাকায় ধরা পড়ে ক্যামেরাতে, এখানে দেখা যায় যে— কুকুরগুলো একজন ঘুমন্ত মানুষকে পাহারা দিচ্ছে দলবেঁধে। চোঁখে বাঁধিয়ে নেওয়ার মতো এমন সুন্দর দৃশ্য আর হয় কি? যেখানে মানুষ মানুষের প্রতি সর্বক্ষেত্রে বিশ্বাস হারাচ্ছে সেখানে হিংস্র প্রাণীগুলো হয়ে উঠছে মানবতার চরম মূর্ত প্রতীক।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/পল্লব/এসডি-১৭