সিলেটে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে অদ্ভূত কাণ্ড ঘটিয়েছেন বরযাত্রীরা। তবে এতে বেশ আনন্দ পেয়েছেন বিয়েতে আসা অতিথিরা।
সিলেটে বিয়র গেটে ফিতা বেঁধে বর আটকে শ্যালক-শ্যালিকাদের টাকা নেওয়ার প্রথা পুরনো। বরও খুশি হয়ে শ্যালক-শ্যালিকাদের নগদ টাকা উপহার দিয়ে থাকেন। তবে বুধবার (১১ জানুয়ারি) সিলেট মহানগরের সুবিধবাজারস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত বিয়ের অনুষ্ঠানে বরযাত্রীরা ঘটিয়েছেন এক ব্যতিক্রমী কাণ্ড। শ্যালক-শ্যালিকারা গেটে বর আটকানোমাত্র বরযাত্রীরা হাতে তুলে ধরে নানা স্লোগানসমৃদ্ধ ফেস্টুন-প্লেকার্ড!
যেগুলোতে লেখা ছিলো- ‘আমাদের ভাবিকে আমরা নিবো, গেইটে কেন টাকা দিবো?’ / ‘বর যাবে বউয়ের কাছে, গেইটে এত বাধা কিসের?’ / ‘বরযাত্রীর গেইট আটকিয়ে চাঁদাবাজি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ’ / ‘বর কি এটিএম মেশিন?’ / ‘বরযাত্রীর গেইট আটকিয়ে চাদাবাজি বন্ধ কর করতে হবে’ / বিয়ের গেইটে ১০ টাকার খাবার দিয়ে ২০ টাকা নেয়ার চেষ্টা করবেন না’ ইত্যাদি স্লোগান।
এ কাণ্ড দেখে বরে দমে যাননি নতুন বরের শ্যালক-শ্যালিকারাও। তারাও এসময় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মতো ‘দুলাভাই- দুলাভাই’ স্লোগানে প্রকম্পিত করে তুলেন বিয়ের অনুষ্ঠানস্থল।
জানা যায়, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার মো. কছম আলীর ছেলে ছাত্রনেতা বদরুল আজাদ রানার বিয়ের অনুষ্ঠান ছিলো এটি। মহানগরের সুবিধবাজারস্থ বিয়ের সেন্টারে বর আসেন ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে। বিরাজ গাড়িবহরের সঙ্গে ছিলো দুই শতাধিক মোটরসাইকেলের এক শোভাযাত্রা।
বিয়ের গেটে শ্যালক-শ্যালিকারা বরকে আটকালে ঘটে এ ব্যতিক্রমী কাণ্ড। এসময় তারা তাদের দুলাভাইয়ের কাছে ১ লাখ দাবি করেন। তবে এত টাকা না দিলেও ১০ হাজার টাকা শ্যালক-শ্যালিকাদের হাতে গুজে দিয়ে এ যাত্রা মুক্তি পেতে হয় বর বদরুল আজাদ রানাকে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম / ডালিম




