স্নাতকে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল করায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি অনুষদের ২৭ শিক্ষার্থী প্রথম 'ডিনস অ্যাওয়ার্ড' দেওয়া হয়েছে; চলতি বছর থেকেই এই পুরস্কার দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের পদক ও সনদ তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যে অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন বলেন, “শিক্ষার্থীদের জন্য শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। সকলকে এসব সুযোগ-সুবিধার সদ্ব্যবহার করতে হবে;পড়াশোনা ভালোভাবে করে এগিয়ে যেতে হবে।”
অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীরা আগামী দিনে দেশ ও জাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই প্রত্যাশা বক্তব্য করেন উপাচার্য।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ও ফিজিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রাশেদ তালুকদার জানান, ২০১৬-১৭ ব্যাচের যেসব শিক্ষার্থীরা ২০২০ সালে স্নাতক পরীক্ষা দিয়েছিল এবং কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করেছে তাদেরকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মুজিব শতবর্ষকে স্মরণ করার লক্ষ্যেও ২০২০ সালের স্নাতকদের এই পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদেরকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনটি ক্যাটাগরি বিবেচনা করা হয়েছে; শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল, কোর্স ড্রপ শূন্য এবং ক্যাম্পাসের শৃঙ্খলা রক্ষায় অবদান।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল সায়েন্সস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রাশেদ তালুকদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন লাইফ সায়েন্সস অনুষদের ডিন ড. মো. কামরুল ইসলাম, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক দিলারা রহমান, অ্যাপ্লাইড সায়েন্স এন্ড টেকনোলিজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আরিফুল ইসলাম, এগ্রিকালচার এন্ড মিনারেল সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার সরকার, ম্যানেজমেন্ট এবং বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম।
অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী যারা
ফিজিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদ থেকে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের খাইরুম হক অরতি, রসায়নের রাশেদ মাহমুদ, গণিতের মো. এবাদুর রহমান, পরিসংখ্যানের মো. সাকিব ইবতিদা চৌধুরী ও সমুদ্র বিজ্ঞানের দিগন্ত দাস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।
লাইফ সায়েন্সেস অনুষদ থেকে বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের আতিয়া তাহিরা তাসনিম ও জেনটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের জেবা ফাইজা রহমান।
এগ্রিকালচার এন্ড মিনারেল সায়েন্সস অনুষদ থেকে ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের মো. আব্দুর রহমান, ম্যানেজমেন্ট এবং বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন অনুষদ থেকে বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের মাজহারুল হক জোবায়েদ।
অ্যাপ্লাইড সায়েন্সস এন্ড টেকনোলজি অনুষদ থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড পললিমার সায়েন্স বিভাগের কাসফিয়া নেহরিন, সিভিল এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং মো. নাজমুল ইসলাম রাফি, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সৌমেন দাস ও সৈয়দা জান্নাতুস সাবা ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দ্বিপ সরকার, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টি টেকনোলজি বিভাগের মো. আমজাদ পাটোয়ারি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাওসার আলী, পেট্রোলিয়াম এন্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জিনিয়া সুলতানা জ্যোতি আর্কিটেকচার বিভাগের শতপর্না দাস।
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ থেকে নৃবিজ্ঞান বিভাগের মিতালী সিনহা, বাংলা বিভাগের কান্তা বৌমিক, অর্থনীতি বিভাগের মাহফুজা খাতুন রিমা, ইংরেজী বিভাগের তাসনিম সুলতানা ডেইজি, পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের শামীমা বেগম, লোকপ্রশাসনের আব্দুল বাসিত সাদাফ, সমাজকর্মের ফারাহ তাসনিম ও সমাজবিজ্ঞানের খাইরতুন হিসান তন্নি।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/নোমান/এসডি-০২




