সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শয্যায় রোগীর মাথা সেলাই দেওয়া পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাঁকে বিরত রাখা হয়েছে দায়িত্ব পালন থেকে। সেই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া রোগীর মাথা সেলাইয়ের কাজে সহযোগিতা করা আউটসোর্সিংয়ে কর্মরত আরেক পরিচ্ছন্নতাকর্মী সাইফুল ইসলামের বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


জানাযায়, এ বিষয়ে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন। আজ কিংবা আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মধ্যে কমিটি গঠন করা হতে পারে।


বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক সৌমিত্র চক্রবর্তী। তিনি বলেন, রোগীর মাথায় সেলাই দেওয়ার বিষয়টি জানার পরপরই এবাদুর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এবাদুরকে হাসপাতালের ১১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তাঁকে দায়িত্ব থেকে বিরতও রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

 

এবাদুর রহমান ১২ ফেব্রুয়ারি হাসপাতালের ১১ নম্বর ওয়ার্ডে কাটাছেঁড়া (সার্জারি) পুরুষ ওয়ার্ডে এক রোগীর মাথায় সেলাই দিয়েছিলেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও চিত্র প্রথম আলোর কাছে আসে। ভিডিও চিত্রে দেখা গিয়েছিল এবাদুর ও আউটসোর্সিয়ের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত সাইফুল ইসলাম মিলে আবদুল করিম নামের এক রোগীর মাথায় সেলাই দিচ্ছেন।

এ নিয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি সিলেটভিউ২৪.কম সহ বেশ কয়েকটি সংবাদপত্রে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপরই বিষয়টি নজরে আসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

 

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ নাজাত-০৮