এসডব্লিউই ইনোভেটরস ফোরাম-এর উদ্যোগে ‘এমইউ প্রোগ্রামিং অলিম্পিয়াড ২০২৫ সিজন-২: সাফল্য উদযাপন ও ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া পারস্পরিক সমন্বয়’ শীর্ষক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্রোগ্রামিং অলিম্পিয়াডের সাফল্য উদযাপনের পাশাপাশি এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সংযোগ সৃষ্টি।
সিলেট নগরীর একটি রেস্টুরেন্টের হলরুমে গত শনিবার (২৬ জুলাই) এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার গুণী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পর্ব৷ উক্ত পর্বে নিজ নিজ অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের আলোকে শিক্ষার্থীদের সাথে মিথষ্ক্রিয় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। আলোচনার উপপাদ্য ছিল দুটি- শিল্প খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব: সুযোগ নাকি হুমকি? এবং শিক্ষাক্ষেত্র থেকে ইন্ডাস্ট্রির প্রত্যাশা এবং প্রত্যাশাসমূহ পূরণে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করণীয়।
অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিক্রুট এর প্রতিষ্ঠাতা ধনঞ্জয় বিশ্বাস, স্টাফ এশিয়ার সিওও ফারহাত শফি চৌধুরী, রুটসফট আইটির প্রতিষ্ঠাতা মো. সাদাত হোসেন খান সায়েম, রুটসফট আইটির সিনিয়র ওয়েব ডেভেলপার শৌমিত্র ধর সানি, শাবির অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজির ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজা সেলিম, শাবির সিএসই’র অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মুমিন, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির সফটওয়্যার ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের অ্যাডজাংক্ট ফ্যাকাল্টি লোকমান আহমেদ নাকিব এবং ধীমান দাশ, আইটিল্যাব সল্যুশন্সের সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার দেবজ্যোতি চৌধুরী ও মৃদুলকান্তি ভট্টাচার্য, সিএন্ডই আইটি সল্যুশন্সের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও এএসএম খায়রুল আখতার চৌধুরী।
তাদের প্রত্যেকের বক্তব্যই ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক এবং দিকনির্দেশনামুলক।
প্রসঙ্গত, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির সফটওয়্যার ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রথম এবং দ্বিতীয় ব্যাচ খুব শিগগিরই ইন্টার্নশিপ শুরু করতে যাচ্ছে, ফলশ্রুতিতে উক্ত আলোচনাটি তাদের আগামীর পাথেয় হিসেবে কাজ করবে।
এদিকে, অনুষ্ঠানে প্রোগ্রামিং অলিম্পিয়াডের আয়োজক, নিবেদিত সদস্য ও মেন্টরদের সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রোগ্রামিং অলিম্পিয়াড সিজন-২ এর সফল আয়োজনের জন্য তাদেরকে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শেষে রেস্টুরেন্টে আয়োজন করা হয় ডিনার পার্টি, যেখানে অতিথি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা একত্রে সময় কাটান বন্ধুত্বপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এই আয়োজন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের প্রতি প্রতিশ্রুতি এবং এসডব্লিউ ইনোভেটরস ফোরামের একাডেমিক ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে বন্ধন সৃষ্টির প্রয়াসের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকলো।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/আরআই-কে/এসডি-০৪




