বরাবরের মতোই থাকছে চোখ ধাঁধানো আলো ও রঙের সমাহার, প্রচলিত ধারার বাইরের শিল্পী, বিশ্বমানের সংগীতশিল্পী এবং প্রতিটি ইন্দ্রিয়কে তৃপ্ত করার মতো রন্ধন অভিজ্ঞতা – তবে এই বছর আপনি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ‘ভিভিড’ উপভোগ করতে পারবেন।
আজ সন্ধ্যা সিডনির বিখ্যাত স্থাপনাগুলো সেজে ওঠে রং-বেরঙের আলোকসজ্জায়। সন্ধ্যা নামতেই ব্যস্ত শহর হয়ে ওঠে উৎসবের নগরী।শীতের রাতের মনমুগ্ধকর শিল্প, সুর আর আলোক ঝলকানি সম্মোহিত করে তোলে দেশ-বিদেশ থেকে আসা পর্যটক দের। ২২দিন ধরে চলবে উৎসব ভিভিড সিডনি শেষ হবে ১৩ জুন।
১৫ বছর আগে শুরু হওয়া এই আলোক- উৎসব যেমন হাজারো দর্শকের মন মাতিয়ে তোলে, তেমনি অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্যে আনে বিপুল উন্নয়ন। পঞ্চাশ এরও বেশী শিল্প প্রদর্শনী নানা রঙে আর সুরে বিমোহিত করে রাখে সিডনির আকাশ, পানি আর রাস্তাঘাট। নামকরা অপেরা হাউজ, হারবার ব্রীজ, ডারলিং হারবার, রয়্যাল বোটানিক গার্ডেন, হাইড পার্ক, মারটিন প্লেস সহ শহরের বিভিন্ন জায়গা সেজে ওঠে থ্রিডিসহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত অপরূপ সৌন্দর্যে ।
এসব আলোক-সজ্জিত অবকাঠামোর পাশ দিয়ে হাঁটার সময় চোখে পড়বে বর্ণিল এনিমেশন খেলা করছে অপেরা হাউজ আর নামকরা সব বিল্ডিং এ। আবার হয়তো চলার পথেই দেখা মিলবে আলোর জঙ্গল, জীবজন্তু ও হরেক রকম ফুল। আছে আলো আর সুরের ভয়ংকর ঝড়, ঝলমলে আলোর টানেল আর হাজারো আলোর ডেকোরেশন।
অধিকাংশ প্রদর্শনী বিনামূল্যেই দেখানো হয় দর্শকদের। এছাড়া এই অসাধারন শিল্পকর্ম উপভোগ করার জন্য রয়েছে স্পেশাল ক্রজ এবং ওয়াটার ট্যাক্সি তে ভ্রমনসুবিধা। অতিরিক্ত দর্শকের উপস্থিতি থাকলেও যেকোন ধরনের আপত্তিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থতি এড়ানোর জন্য রয়েছে সর্বাধুনিক সিকিউরিটি ব্যবস্থা। হাড়কাপানো শীতের শুরুতে এমন অনন্য আয়োজন সত্যিই উপভোগ্য এবং প্রশংসনীয়।
মোহাম্মদ সামছুজ্জামান চৌধুরীর বলেন, আমি ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়া সিডনি শহরে বসবাস করছি। অস্ট্রেলিয়া আসার পর থেকেই এই উসৎব উপভোগ করি। এবারও আলোক উৎসবে অংশ নিব। তিনি আরও বলেন, রাতের আধাঁরে পানির ওপর রঙিন আলোর দৃশ্য উপভোগ করতে রয়েছে ওয়াটার ট্যাক্সির ভ্রমণসুবিধা। এটা অনেক আনন্দধায়ক।
অমিত হাসান নামের আরেক বাংলাদেশি বলেন, আমি তিন বছর থেকে সিডনিতে বসবাস করি। একবার ভিভিড আন্তর্জাতিক আলোক উৎসব উপভোগ করেছি। এখন অপেক্ষায় আছি, এবারও ওই উৎসবে অংশ নিব।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/পিটি




