জকিগঞ্জ উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের কোনাগ্রাম এলাকার এক গৃহবধূ নিখোঁজ হওয়ার প্রায় আট ঘণ্টা পর সুরমা নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় জকিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত বাসনা রানি মালাকার (২৮) উপজেলার কোনাগ্রামের বাসিন্দা কাজল মালাকারের স্ত্রী। তিনি দুই সন্তানের জননী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে প্রতিদিনের মতো বাড়ির পাশের সুরমা নদীতে ভাসমান জ্বালানিকাঠ (লাকড়ি) সংগ্রহ করতে যান বাসনা রানি মালাকার। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালিয়েও তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে বিষয়টি জকিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হলে তাদের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপি তল্লাশি চালানোর পর সন্ধ্যায় সুরমা নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে নিহতের স্বামী কাজল মালাকার বলেন, সকালে লাকড়ি সংগ্রহের জন্য নদীতে যাওয়ার পর তাঁর স্ত্রী নিখোঁজ হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেছে।
জকিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, খবর পেয়ে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এ ব্যাপারে জকিগঞ্জ থানার তদন্ত ওসি সুজন মিয়া বলেন, এই ঘটনার খবর শুনে থানা থেকে ফোর্স পাঠিয়েছি লাশ উদ্ধার করার জন্য।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রাও ঘটনাটিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/কয়েছ/এসডি-২০




