জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, মরহুম অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিতপ্রাণ ও মুখলিস দাঈ। সিলেট অঞ্চলে ইসলামী আন্দোলনের প্রচার, প্রসার এবং সংগঠনকে মজবুত ও গতিশীল করার পেছনে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়। তিনি নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে সংগঠনের আদর্শকে সিলেটের সর্বস্তরের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন। কুরআন ও দ্বীনের সুমহান খেদমতে তিনি ছিলেন একজন নিবেদিত প্রাণ দ্বা’য়ি ইলাল্লাহ।

তিনি বলেন, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী একজন জনপ্রিয় ও জনবান্ধব জনপ্রতিনিধি হিসেবে ব্যাপক সমাদৃত ছিলেন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন তিনি কানাইঘাট ও জকিগঞ্জের রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, মসজিদ, মন্দির, ক্লাব ও পাঠাগারসহ অবহেলিত অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উদার ব্যক্তিত্বের কারণে তিনি দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শ্রদ্ধেয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর নেক আমল ও ভালো কাজ তাঁকে আজীবন জনতার মাঝে বাঁচিয়ে রাখবে।

তিনি রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার তালবাড়ী জামেয় ইসলামিয়া ইউসুফিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। এর আগে তিনি মরহুম ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর কবর জিয়ারত করেন এবং মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের,  কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, জেলা নায়েবে আমীর হাফিজ আনওয়ার হোসাইন খান ও অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, জেলা সেক্রেটারী মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, ছাত্রশিবির সিলেট জেলা পূর্বের সভাপতি আবু আইয়ুব মঞ্জু ও পশ্চিম জেলা সভাপতি আবু যোবায়ের প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও এলাকায় বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনতা উপস্থিত ছিলেন।
 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/প্রেবি/এসডি-১৫