ছবি: এআই।

সিলেট সদর উপজেলার বসত ঘর থেকে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রবিবার (২৮ জুন) সকাল ১০টার দিকে জালালাবাদ থানা পুলিশ এই লাশ উদ্ধার করে। সোমবার (২৯ জুন) বাদ আসর ময়নাতদন্ত শেষ লাশ দাফন করা হয়েছে। এদিকে নিহত ওই গৃহবধূকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করছেন তার সন্তানরা।

 


নিহত মহিলা কুলসুমা বেগম। তিনি সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ থানাধীন ধনপুর গ্রামের মাহবুব আহমদের স্ত্রী।

 

পুলিশ জানায়, সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ থানাধীন ধনপুর এলাকার মাহবুব আহমদের সাথে কুলসুমা বেগমের বিবাহ হয়। মাহবুব ও কুলসুমা দম্পতির ৪ মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছেন। বিবাহের পর থেকে তাদের সাংসারিক জীবন ভালো গেলেও পরবর্তীতে তাদের পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হয়। আর এই পারিবারিক কলহের জের ধরে বসত ঘরের তীরের সাথে ঝুলে কুলসুমা বেগম আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।

 

এদিকে নিহতের ছেলে সৌদি আরব প্রবাসী মো. জুবায়ের সোহাগের অভিযোগ, তাদের পিতা মাহবুব আহমদ প্রায়ই কুলসুমা বেগমকে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। তিনি দ্বিতীয় বিবাহ করতে তাদের মাকে চাপ দিচ্ছিলেন। তিনি রাজী না হওয়ার কারণে তাকে হত্যা করতে পারেন। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সন্তানরা।

 

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম বলেন,‘আপাতত এই বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। তাকে হত্যা করা হয়েছে বা মারা হয়েছে এজাতীয় অভিযোগ কেউ থানাকে জানায়নি। থানায় কেউ অভিযোগ জানালে অথবা পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

 

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/ এহিয়া