ভাতিজা জুয়েলের স্পর্শকাতর অঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আপন চাচির বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর তিনি পালিয়ে গেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালীর চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল মোন্নাফ।
এর আগে মঙ্গলবার রাত সোয়া ২টার দিকে উপজেলার খিলপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মজ্জাদপাড়ার বাদশা মিয়া বেপারি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত জুয়েল ওই বাড়ির কামাল হোসেনের ছেলে। পরে স্বজনরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, জুয়েল দীর্ঘ ১১ বছর ওমানে ছিলেন। প্রায় এক মাস আগে তিনি দেশে ফেরেন। প্রবাসে থাকাকালে পারিবারিক মোবাইল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি চাচি জেসমিনের মুঠোফোন ব্যবহার করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। একসময় তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। জুয়েল দেশে আসলে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে ওই ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। কিন্তু জুয়েলের বিয়ের জন্য পরিবার থেকে পাত্রী ঠিক করা হয়। এরই মধ্যে মঙ্গলবার গভীর রাতে জুয়েল চাচির ঘরে গেলে তিনি তার স্পর্শকাতর অঙ্গ কেটে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে জানতে জেসমিন আক্তারের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
ওসি মোহাম্মদ আব্দুল মোন্নাফ বলেন, ভুক্তভোগীর এক স্বজন থানায় মৌখিকভাবে বিষয়টি জানিয়েছেন। তাকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। তবে এরপর আর তিনি থানায় আসেননি।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/এসডি-১৬




