সিলেট-ভোলাগঞ্জ মহাসড়কের আদর্শগ্রাম এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে পানি জমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এই রাস্তায় চলাচলকারী পর্যটকবাহী গাড়ি ও স্থানীয় পথচারীরা চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
মহাসড়কের উপরে জলাবদ্ধতার কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ দূর করতে এবার উদ্যোগ নিয়েছেন ভোলাগঞ্জ চুনাপাথর আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি শাহাব উদ্দিন। এলাকার ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় যুবক ও মুরব্বিদের সমন্বয়ে তিনি রাস্তা থেকে পানি নিষ্কাশনের এই উদ্যোগ নেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে ভোলাগঞ্জ আদর্শগ্রাম এলাকায় প্রশাসন ও স্থানীয়দের নিয়ে রাস্তার পানি নিষ্কাশনের ড্রেইন পরিদর্শন করেন।
এসময় আগের ড্রেইন সংষ্কার ও নতুন করে ড্রেইন তৈরি করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত হয়।
স্থানীয় ভুক্তভুগী অনেকেই জানিয়েছেন হাল্কা বৃষ্টি হলেই পানি মূল সড়কের উপরে জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। রাস্তার দুপাশের ড্রেইন থাকলেও সেগুলো ভরাট করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে সাদাপাথরগামী পর্যটকবাহী গাড়ি ও এলাকার মানুষেরা চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে পর্যটক কিংবা স্থানীয়রা যখন মোটরসাইকেল নিয়ে যাতায়াত করেন তখন অন্য গাড়ির টায়ার থেকে কাদা পানি উড়ে এসে গাড়ি ও কাপড়চোপড় নষ্ট হয়ে যায়। প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই রাস্তা দিয়ে সাদাপাথর পর্যটনে গেলেও তারা এই জলাবদ্ধতা দূর করতে উদ্যোগ নেয়নি।
এদিকে রাস্তায় জমে থাকা পানিতে জনদর্ভোগ নিয়ে ইতোপূর্বে বেশ কয়কবার পত্রিকায় নিউজ প্রকাশিত হয়। নিউজ প্রকাশের পরও প্রশাসনের নজর না পড়লেও এবার রাস্তা থেকে পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নিয়েছেন ভোলাগঞ্জ গ্রামের ব্যবসায়ী শাহাব উদ্দিন। তার উদ্যোগে ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অর্থায়নে রাস্তার দুপাশের ড্রেইন সংষ্কার ও নতুন ড্রেইন তৈরি করে ধলাই নদীর সাথে সংযুক্ত করা হবে।
সড়ক বিভাগের এই রাস্তা নির্মাণের সময় দুপাশে পানি নিষ্কাশনের ড্রেইন তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণ না করায় ভরাট হয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যায়। রাস্তা থেকে মাত্র ৫শ মিটার দূরে ধলাই নদী হলেও এসব ড্রেইনের সংযোগ নদীর সাথে দেওয়া হয়নি। যার ফলে ড্রেইন থাকলেও পানি নিষ্কাশন করা যানি।
পানি নিষ্কাশনের লক্ষে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি পলাশ তালুকদার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আতাউর রহমান সরেজমিনে সেই জায়গা পরিদর্শন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- ভোলাগঞ্জ চুনাপাথর আমদানিকারক গ্রুপের সহ সভাপতি বশির আহমদ, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস সালাম বাবুল, কার্যকরি সদস্য কাউছার আহম, ভোলাগঞ্জ উদয়ন সংঘের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এখলাছ আহমেদ, স্থানীয় মুরব্বি নুর উদ্দিন নুরই, মখতছির আলী মখতই, কুতুবউদ্দিন পাগলা শাহ, গোলাম রব্বানী ভেরাই, ফয়জুর রহমান কালা, ফিরোজ আলী, লোকমান হোসেন, জাফর, বোরহান উদ্দিন, আশিক মিয়া, জুয়েল আহমদ, রাজু প্রমুখ।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/জলিল/এসডি-১২




