মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় এবার সিলেট শিক্ষা বোর্ডে কমেছে পাসের হার। তবে বেড়েছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা।

 


সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার ৮৯ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫১ হাজার ৯৫৭ জন। উত্তীর্ণদের মধ্যে ছাত্রী ৩২ হাজার ৬৮ জন এবং ছাত্র ১৯ হাজার ৮৮৯ জন। পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তি—দুই ক্ষেত্রেই এবার এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।


সিলেট শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। যেখানে মেয়েদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আর ছেলেদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও এগিয়ে মেয়েরা। মোট ৩ হাজার ৮৩৬টি জিপিএ-৫-এর মধ্যে মেয়েরা পেয়েছে ২ হাজার ৯১টি এবং ছেলেরা পেয়েছে ১ হাজার ৭৪৫টি।


২০২৫ সালে সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ। সে বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৩ হাজার ৬১৪ জন। এর আগে ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৭৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৫ হাজার ৪৭১ জন শিক্ষার্থী।


গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ১০ দশমিক ২৪ শতাংশ। একই সঙ্গে এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে ১২ হাজার ৭৯৮ জন।


সিলেট বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে পাসের হারে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে সিলেট জেলা। এ জেলায় পাসের হার ৬৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ। অন্যদিকে, সর্বনিম্ন পাসের হার সুনামগঞ্জ জেলায়—৫৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ।


শিক্ষকদের মতে, বিভাগের দুর্গম এলাকাগুলোতে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় ফলাফল খারাপ হওয়ার অন্যতম কারণ। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ও মানসম্মত শিক্ষকের ঘাটতিও বিভাগের ফলাফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন তারা।


এদিকে, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা গেছে উচ্ছ্বাস। কঠোর পরিশ্রমের ফল হিসেবেই ভালো ফলাফলকে দেখছেন অভিভাবকেরা। ভবিষ্যতে আরও ভালো করার প্রত্যাশা জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/নাজাত