ছবি: সংগৃহিত

পুড়ছে সিলেট, পুড়ছেন সিলেটবাসী। ৩৬ ডিগ্রি তাপমাত্রার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে বিদ্যুতের ভেল্কিবাজী। অতিষ্ঠ জীবন। রাগে আর ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ মানুষ। গরমের সঙ্গে পেরে উঠার কোনো সুযোগ কারো নেই। পাশপাশি বিদ্যুতের এমন রঙতামাশার কাছেও যেনো সবাই অসহায়।

 


এখন শ্রাবণ মাস প্রায় শেষ হতে চলেছে। এবার এই শ্রাবণে অন্যান্য বছরের তুলনায় বৃষ্টিপাত একেবারেই কম হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টিপাত হয়েছে মাত্র ১৫ মিলিমিটার! এ অবস্থায় গরম বাড়ছে।


 
মঙ্গলবার সিলেট অঞ্চলের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

এমন বৈরী শ্রাবণে জনদুর্ভোগ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। ঘন্টায় ঘন্টায় বিদ্যুৎ যাচ্ছে। গেলে আসার আসার কোনো নাম থাকছেনা। এলেও কতসময থাকবে তা নিয়ে রীতিমতো হতাশায় কাটছে নাগরিক জীবন।

 

গরমে শিশু ও বয়স্কদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। হাপিত্যেশে কাটছে তাদের সময়। অনেকেই অসুস্থ হয়ে ছুটছেন ডাক্তারের কাছে। কেউ কেউ ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে। গরমজনিত নানান রোগবালাইয়ের উৎপাতও বাড়েছে পাল্লা দিয়ে।

 

এদিকে শ্রমজীবী মানুষের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। বিশেষ করে কায়িক শ্রমের সঙ্গে জড়িতদের অবস্থা সবচেয়ে বেশী খারাপ। নির্মাণ শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করে বিশ্রাম করতে দেখা যাচ্ছে। ঠেলা ও রিকশাচালকদেরও অবস্থা ছিল একই।

 

এ অবস্থায় আগামী ২৪ ঘন্টার আবহাওযার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সিলেট অঞ্চলের কোথাও কোথাও হাল্কা থেকে মাঝারি, কোথাও আবার ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টি বা কোনো কোনো অঞ্চলে বজ্রপাতের আশঙ্কাও প্রকাশ করা হয়েছে।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ইকে