ছবি: সংগৃহিত

সূর্যের তেজ এমন যেনো আগুনের ফুল্কা। গায়ে ফুসকা পড়ার মতো অবস্থা। বৃষ্টি নেই বললেই চলে।

 


স্বাভাবিকভাবে গরমে অস্থিও অবস্থা। গত কয়েকদিন ধরে সিলেট অঞ্চলের অবস্থা এমনই। যেন প্রচন্ড রোদে পুড়ছে সিলেট। এত গরমেও গত ৩ দিন ধরে সিলেট মহানগরীর মানুষ বেশ স্বস্তিতে আছেন। কারণ, বিদ্যুৎ। প্রায় শতভাগ বিদ্যুৎ পাচ্ছেন সিলেট নগরবাসী।

 

গত প্রায় সপ্তাহখানেক ধরে সিলেটের তাপমাত্রা বিরাজ করছে ৩৫ সেলসিয়াসের উপরে। কখনো ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে। যদিও রবিাবরের (১৬ আগস্ট) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

এর আগের দিন শনিবার সিলেট অঞ্চলের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগের দিন শুক্রবারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগের দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

তবে গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) পর্যন্ত সিলেট অঞ্চলের মানুষের জীবন ছিল প্রায় নারকীয়। প্রচণ্ড গরমের সঙ্গে ছিল বিদ্যুতের আসা যাওয়ার খেলা। এমনও হয়েছে, বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ একবার যাওয়ার কয়েক ঘন্টা পর ফিরলেও স্থায়ী হয়নি এক ঘন্টা। আবার আবারও শুরু হয়েছিল লোডশেডিং।

 

এমন অসহনীয় অবস্থার পর শুক্রবারের (১৪ আগস্ট) পর থেকে পরিস্থিতি পাল্টাতে থাকে। সেদিন থেকে রবিবার পর্যন্ত সিলেট মহানগরীর কোথাও ১০ মিনিটের জন্য লোডশেডিং দূরে থাক, অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ একবারের জন্যও যায়নি। আর এটিই সিলেট মহানগরবাসীর জন্য স্বস্তির কারণ।

 

প্রচণ্ড রোদে পুড়তে থাকা সিলেটবাসীর জন্য বিদ্যুতের এমন অস্বাভাবিক ইতিবাচক আচরণকে নগরবাসী স্বাগত জানাচ্ছেন। তাদের মতে, শুক্রবারের আগে যেভাবে বিদ্যুতের খেমটা নাচ দেখেছেন সিলেটবাসী, তা আরও দীর্ঘ হলে নগরবাসীর ক্ষোভের মুখে পড়তে হতো বিদ্যুৎ বিভাগকে।

 

এ অবস্থায় সিলেট আবহাওযা অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হয়েছে মাত্র ৪০ মিলিলিটার। তবে আগামী ২৪ ঘন্টায় সিলেট অঞ্চলের কোথাও কোথাও হাল্কা থেকে মাঝারি, কোথাও আবার ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

 

তারা জানিয়েছে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ইকে